Durga Puja,আরজি করে নিহত চিকিৎসককে দুর্গাপুজো উৎসর্গ রাজারহাটের আবাসনের – rajarhat silver oak estate housing residents dedicate durga puja to rg kar doctor


এ বারের দুর্গাপুজো ওঁরা উৎসর্গ করবেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ধর্ষিত ও নিহত তরুণী চিকিৎসককে। রাজারহাটের ‘সিলভার ওক এস্টেট’ আবাসনের বাসিন্দারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মণ্ডপের এক জায়গায় রাখা থাকবে নিহত চিকিৎসকের একটি প্রতীকী ছবি। পুজো উদ্বোধনের দিন থেকে পুজোর সব ক’টা দিন, ওই ছবিতে মালা দিয়ে তাঁকে সম্মান জানাবেন, তাঁকে স্মরণ করবেন আবাসনের সবাই।আবার প্রতিমা নির্মাণে বৈচিত্র্য এনে অত্যাচারিত ও নিহত ওই তরুণী চিকিৎসকের প্রতি সম্মান দেখানোর পরিকল্পনা করেছেন শিল্পী সনাতন দিন্দা। তিনি বলছেন, ‘ইদানীং আমি পুজোর কাজ খুবই কম করি। এ বার ভবানীপুর ৭৫ পল্লি এবং বাঘা যতীন সেন্ট্রাল ক্লাবের পুজোয় প্রতিমা তৈরি করছি। আমি মা দুর্গার হাতে কখনও অস্ত্র দিই না। আমার তৈরি দুর্গা বরাবর অন্য রকম হয়। কিন্তু এ বার আমি যে প্রতিমা তৈরি করব, তার হাতে অস্ত্র থাকবে। এটাই আমার প্রতিবাদ।’

রাজারহাটের ‘সিলভার ওক এস্টেট’ আবাসনের এ বারের পুজো মণ্ডপ রাজস্থানের একটি মন্দিরের আদলে। সেই পরিকল্পনায় কাজ যখন অনেকটাই এগিয়েছে, ঠিক সেই সময়ে আরজি করের ওই নারকীয় ঘটনা। ওই অবস্থায় কেউ কেউ চাননি, অমন মণ্ডপ হোক। তবে আবাসনের পুজো কমিটির তরফে অমিত মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘মণ্ডপে খুব বেশি পরিবর্তন করার সময় আর আমাদের কাছে ছিল না। কিন্তু নিজেদের শহরে এমন সাংঘাতিক একটা ঘটনা থেকে মুখ ফিরিয়েই বা থাকি কী করে! তাই, আমরা পরিকল্পনা নিই, এ বছর আমাদের পুজো উৎসর্গ করা হবে নিহত চিকিৎসকের নামে।’

অমিতের কথায়, ‘পুজোর পরিকল্পনায় আগে ছিল না, এমন একটা কাজ আমরা সব আবাসিক মিলে করতে চলেছি। সেই পরিকল্পনা করা হয়েছে আরজি করের ঘটনার পর। সবাই মিলে ২০০টা ছবি আঁকা হবে। এই ছবিগুলো ছোটদের গুড টাচ, ব্যাড টাচ সম্পর্কে বোঝাবে। সেক্সুয়াল প্রিডেটররা কী ভাবে শিকার ধরে, সেই বিষয়ে ছোটদের সতর্ক করবে।’

পুলিশের সতর্কতা বৈঠকে ক্ষুব্ধ পুজোর উদ্যোক্তারা, ফেরাচ্ছে অনুদান

কমিটি জানিয়েছে, আবাসনে প্রায় ১০০ খুদে রয়েছে, যাদের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। এই বয়সটায় ছোটদের নানা ধরনের বিপদের আশঙ্কা থাকে, তাই সতর্কতার প্রয়োজন খুব বেশি। কলকাতার অধিকাংশ পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদেরই বক্তব্য, থিম চূড়ান্ত করে মণ্ডপ তৈরির কাজ সাধারণত শুরু হয়ে যায় এপ্রিলেই।

অধিকাংশ পুজোরই ৭০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মণ্ডপসজ্জার মধ্যে আরজি করের ওই মর্মান্তিক ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলার সুযোগ খুব কম— তবে রাজারহাট-নিউ টাউনের সিলভার ওক এস্টেট যে পথে হেঁটেছে, তেমন কিছু করা যেতেই পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *