এরপরেই তড়িঘড়ি কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এলাকার ৫টি বাড়ি থেকে ৫২ জনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হোটেলে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের বাসস্থান ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মেট্রো সূত্রে খবর, ৪৮ ঘণ্টা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে। তারপর বাসিন্দাদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
প্রসঙ্গত, বাড়িতে ফাটল ধরার ঘটনা বউবাজার এবং দুর্গা পিতুরি লেনে এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৯ সালে ৩১ অগস্ট বউবাজারে দুর্গাপিতুরি লেনে একাধিক বাড়িতে ফাটল ধরেছিল। এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদহ যাওয়ার জন্য কেএমআরসিএল-এর ইস্ট-ওয়েস্ট প্রকল্পের গতি ধাক্কা খায় বউবাজারে। টানেল বোয়িং মেশিন দিয়ে সুড়ঙ্গ কাটার সময় ঘটে বিপত্তি। একাধিক বাড়িতে ধরে ফাটল। বউবাজারের দুর্গা পিতুরি লেন এবং স্যাকরাপাড়া লেনের ৭৪টি বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছিল অন্যত্র।
এরপর ২০২২ সালের মে মাসে ফের একবার মেট্রোর কাজ চলাকালীন নতুন করে বউবাজারের কিছু বাড়িতে ফাটল দেখা যায়। শুক্রবার ফের একবার এই ঘটনায় কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন বউবাজার এলাকার বাসিন্দারা। এ দিন সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বউবাজারের বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের কথায়, ‘আমরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। কেন আমাদের বারবার এই ধরনের ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে হবে?’
