শুক্রবার সকালে বড় ছেলে বাইরে ছিল আর ছোট ঘুমোচ্ছিল। অভিযোগ, তখনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওই সরকারি কর্মী পাশের বাড়ির দরজায় টোকা মারেন। প্রতিবেশীকে দেখে দরজা খুলে দেন ওই মহিলা। ভাবেন জরুরি কিছু বলতেই নিশ্চয় এসেছেন। অভিযোগ, দরজা খুলতেই ঘরে ঢুকে দরজায় খিল দিয়ে দেন অভিযুক্ত। তারপর ওই মহিলাকে টানতে টানতে বিছানায় নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করেন। এ নিয়ে কাউকে কিছু বললে মহিলার বাচ্চাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে যান বলে অভিযোগ।
সেই ভয়ে ওই মহিলা স্বামীকে প্রথমে কিছু বলেননি। কিন্তু পরে বিবেক দংশনে স্বামীকে সব কথা খুলে বলেন। এরপর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার রাতেই তিনি নরেন্দ্রপুর থানায় যান এবং ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি তাঁর বয়ান রেকর্ড করিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই প্রচণ্ড আতঙ্কে আছেন ওই মহিলা।
তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ছ’টায় জোর করে ঢোকে আমার বাড়িতে। আমার স্বামী-ছেলে বাইরে বেরিয়েছে দেখেই ও এসেছিল। ওর কঠিন শাস্তি চাইছি।’ অভিযোগকারিণীর দিদি একই পাড়ায় থাকেন। তাঁর অভিযোগ, ‘এফআইআরের পরেও পুলিশ মেডিক্যাল টেস্ট করাতে গড়িমসি করেছে। আরজি করের ঘটনার পরেও পুলিশ শিক্ষা নেয়নি। এরপর সব প্রমাণ লোপাট হয়ে যাবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে বাড়িতে এলে পরিবারের লোকজন সব জানতে পারেন। অভিযুক্তের স্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। এরমধ্যে এমন জঘন্য কাজ করেছেন উনি। আমি ওঁর শাস্তি চাই।’ অভিযুক্তের শ্যালক বলেন, ‘সব শুনে প্রচণ্ড ঘেন্না হচ্ছে জামাইবাবুর উপর। আমরা ওঁর শাস্তি চাইছি।’ বারুইপুর পুলিশ জেলার এক কর্তা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
