Narendrapur News,স্বামী ধর্ষক! কঠোর শাস্তি চান স্ত্রী – central government employee accused harassment a neighbor woman in narendrapur


এই সময়, নরেন্দ্রপুর: প্রতিবেশী মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় সরকারি এক কর্মীর বিরুদ্ধে। নরেন্দ্রপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন অভিযোগকারিণী। তারপর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। অভিযুক্তের স্ত্রী বলছেন, স্বামী এমন ঘৃণ্য কাজ করে থাকলে যেন কঠোর শাস্তি পান। পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।আরজি করে চিকিৎসক তরুণীর ধর্ষণ-খুন নিয়ে যখন উত্তাল গোটা রাজ্য, তখন প্রতিবেশী মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে হইচই পড়ে গিয়েছে নরেন্দ্রপুরে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি গত শুক্রবারের। তখন দিনের আলো সবে ফুটেছে। সকাল সওয়া ছ’টা নাগাদ মহিলা একাই বাড়িতে ছিলেন। তাঁর স্বামী ছেলেকে স্কুলে পাঠিয়ে কাজে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অভিযুক্ত থাকেন পাশের বাড়িতে। কাজ করেন ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ায়। বর্তমানে তারাতলায় কর্মরত। তাঁর স্ত্রী ডায়মন্ড হারবারে গিয়েছিলেন এক আত্মীয়ের বাড়িতে।

শুক্রবার সকালে বড় ছেলে বাইরে ছিল আর ছোট ঘুমোচ্ছিল। অভিযোগ, তখনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওই সরকারি কর্মী পাশের বাড়ির দরজায় টোকা মারেন। প্রতিবেশীকে দেখে দরজা খুলে দেন ওই মহিলা। ভাবেন জরুরি কিছু বলতেই নিশ্চয় এসেছেন। অভিযোগ, দরজা খুলতেই ঘরে ঢুকে দরজায় খিল দিয়ে দেন অভিযুক্ত। তারপর ওই মহিলাকে টানতে টানতে বিছানায় নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করেন। এ নিয়ে কাউকে কিছু বললে মহিলার বাচ্চাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে যান বলে অভিযোগ।

সেই ভয়ে ওই মহিলা স্বামীকে প্রথমে কিছু বলেননি। কিন্তু পরে বিবেক দংশনে স্বামীকে সব কথা খুলে বলেন। এরপর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার রাতেই তিনি নরেন্দ্রপুর থানায় যান এবং ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি তাঁর বয়ান রেকর্ড করিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই প্রচণ্ড আতঙ্কে আছেন ওই মহিলা।

Bardhaman Police: বিশেষভাবে সক্ষম মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ, বর্ধমানে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ছ’টায় জোর করে ঢোকে আমার বাড়িতে। আমার স্বামী-ছেলে বাইরে বেরিয়েছে দেখেই ও এসেছিল। ওর কঠিন শাস্তি চাইছি।’ অভিযোগকারিণীর দিদি একই পাড়ায় থাকেন। তাঁর অভিযোগ, ‘এফআইআরের পরেও পুলিশ মেডিক্যাল টেস্ট করাতে গড়িমসি করেছে। আরজি করের ঘটনার পরেও পুলিশ শিক্ষা নেয়নি। এরপর সব প্রমাণ লোপাট হয়ে যাবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে বাড়িতে এলে পরিবারের লোকজন সব জানতে পারেন। অভিযুক্তের স্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। এরমধ্যে এমন জঘন্য কাজ করেছেন উনি। আমি ওঁর শাস্তি চাই।’ অভিযুক্তের শ্যালক বলেন, ‘সব শুনে প্রচণ্ড ঘেন্না হচ্ছে জামাইবাবুর উপর। আমরা ওঁর শাস্তি চাইছি।’ বারুইপুর পুলিশ জেলার এক কর্তা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *