এই সময়, বাদুড়িয়া: অনলাইনে এন্ট্রি করিয়েও এলাকার গ্রাহকদের রেশন দিতে নানা বাহানা বানাচ্ছেন রেশন ডিলার। এরই প্রতিবাদে শনিবার সকালে বাদুড়িয়া থানার তেঘড়িয়া মোড় এলাকার ওই রেশন দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। তাঁরা সংগ্রামপুর-তেঁতুলিয়া রাস্তা অবরোধ করেন। খবর পেয়ে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।গ্রামবাসীর অভিযোগ, বাদুড়িয়া ব্লকের শায়েস্তানগর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তেঘরিয়া গ্রামে রেশন ডিলার গোবিন্দপ্রসাদ চক্রবর্তী বেশ কয়েক মাস ধরে সরকারি শিডিউল মেনে খাদ্য সরবরাহ করছেন না। মাসের প্রথম সপ্তাহের বরাদ্দ খাদ্যসামগ্রী চাল, আটা, চিনির জন্য অনলাইনে গ্রাহককে দিয়ে এন্ট্রি করিয়ে নেন। কিন্তু তাঁদের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয় না।
যেমন, ১৫ জন যদি এন্ট্রি করেন তা হলে ৫ জনকে খাবার দিয়ে বাকিদের পরের সপ্তাহে নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। আবার কখনও দ্বিতীয় সপ্তাহে মানুষ এন্ট্রি করছেন। কিন্তু খাবার পাচ্ছেন পরের মাসে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী যখনই সামগ্রীর জন্য এন্ট্রি করা হবে তখনই তাঁকে রেশন সরবরাহ করতে হবে।
যেমন, ১৫ জন যদি এন্ট্রি করেন তা হলে ৫ জনকে খাবার দিয়ে বাকিদের পরের সপ্তাহে নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। আবার কখনও দ্বিতীয় সপ্তাহে মানুষ এন্ট্রি করছেন। কিন্তু খাবার পাচ্ছেন পরের মাসে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী যখনই সামগ্রীর জন্য এন্ট্রি করা হবে তখনই তাঁকে রেশন সরবরাহ করতে হবে।
এক গ্রাহক সঞ্জীব মণ্ডল বলেন, ‘দিনমজুরির কাজ বন্ধ রেখে রেশন নিতে আসি। এন্ট্রি হয়ে যায় কিন্তু রেশনের জিনিস পাই না। আমি গত দু’মাস রেশন পাচ্ছি না।’ তৃণমূল নেতা কবিদাস সর্দার বলেন, ‘রেশন ডিলারের বিরুদ্ধে রেশন সামগ্রী সময়মত বণ্টন না করার অভিযোগের তদন্ত আগে থেকেই চলছে। এলাকার গ্রাহকরা রেশন সামগ্রী না পেয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যে সমস্ত গ্রাহকরা রেশন সামগ্রী পাননি আগামী বুধবার থেকে আমরা দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের রেশন সামগ্রী দেব।’ রেশন ডিলার গোবিন্দপ্রসাদ চক্রবর্তী এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
