আইপ্যাক মামলায় বড় মোড়! ছুটির সকালে প্রতীক জৈনের বাড়ির রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত… দেখা গেল…| Major Twist in IPAC Case ED Seizes Pratik Jains House Register Heres What Was Found


পিয়ালী মিত্র: আইপ্যাক মামলায় ছুটির সকালে বড় মোড়। প্রতীক জৈনের হাউসিংয়ের রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করল পুলিস। সেদিন ইডি সিআরপিএফ নির্দিষ্টভাবে কখন প্রবেশ করে তা নিশ্চিত হতে এই পদক্ষেপ পুলিসের। আরও জানা গিয়েছে, ইতোমধ্যেই কয়েকজন সিকিউরিটি গার্ডকে ও পরিচারিকা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন‍্য তলব করা হয়েছে। 

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:Snowfall in Purulia: যা হওয়ার ছিল না তাই হল, AI কারিকুরি নয়! পুরুলিয়ায় সত্যি পড়ল তুষার… দেখে নিন…

হাউসিংয়ের রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। যদিও পুলিস সূত্রের দাবি, রেজিস্টার কোনও এন্ট্রি না করেননি ইডি অফিসাররা।  এমনকি, দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষী যাতে কাউকে খবর না দিতে পারে তার জন্য তাঁর ফোনও নিয়ে নেন ইডি অফিসাররা। ওই নিরাপত্তারক্ষীকে নিয়েই প্রতীকের ফ্ল‍্যাটে পৌঁছন পুলিসরা। যদিও ইডি সূত্রে দাবি, যে কোনও অপারেশনই তা করতে হয়। না হলে আগাম খবর পেয়ে সতর্ক হয়ে যেতে এমনকী পালিয়েও যেতে পারে। 

অন্যদিকে, ইডি বনাম আই প্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। উদ্দেশ্য স্পষ্ট- ইডি যদি সুপ্রিম কোর্টে কোনও বিশেষ আবেদন জানায়, তবে রাজ্য সরকারের বক্তব্য না শুনে যেন কোনও একতরফা নির্দেশ জারি না করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার। ২০২০ সালের দিল্লির একটি কয়লা পাচার মামলার তদন্তে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের আইপ্যাক অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। কিন্তু এই রুটিন তল্লাশি দ্রুত রাজনৈতিক যুদ্ধে রূপ নেয় যখন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার পুলিস কমিশনার বিনীত গোয়েল সশরীরে পৌঁছে যান প্রতীক জৈনের আবাসনে।

আরও পড়ুন:Domestic Violence: অন্য মহিলার সঙ্গে ঘরে বেঁধেছে স্বামী! খোরপোশও দেয় না, থানায় যাওয়ার আগেই প্রকাশ্যে স্ত্রীকে… ভয়ংকর…

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর মুখ্যমন্ত্রীকে একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর তিনি সরাসরি চলে যান সল্টলেকের আইপ্যাক দফতরে। তদন্ত চলাকালীন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এইভাবে উপস্থিতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। ইডির দাবি, এই পদক্ষেপ কেবল অস্বাভাবিক নয়, বরং তদন্তপ্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং বাধা সৃষ্টির নামান্তর। তৃণমূল কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে, অভিযোগ করে যে ইডি অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দলের নির্বাচনী তথ্য লুট করার চেষ্টা। প্রতীক জৈনের পরিবারও ইডির বিরুদ্ধে চুরি এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিসে FIR করেছে।

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *