SIR-এর গোলমেলে গেরো! বউয়ের পর এবার নিজেকেও শুনানির নোটিশ দিলেন BLO…BLO Serves summons for SIR Hearing to himself and wife in Burdwans ketugram


সন্দীপ ঘোষ চৌধুরী: SIR-র নিয়মের গেরোয় এবার খোদ BLO।  শুনানির নোটিশ ধরাতে হল নিজেকেই! বাদ গেলেন না স্ত্রীও। বাকরুদ্ধ ওই দম্পতি। আজবকাণ্ড পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:  SIR in Bengal: শুনানির নোটিস! SIR আতঙ্কে এবার রেললাইনেই চরম পথে মতুয়া ভোটার, তীব্র চাঞ্চল্য হাবড়ায়…

কেতুগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের  ভ্রমরকোল গ্রামের ১৬৫ নম্বর বুথে BLO দেবশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। কাটোয়া শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরঙ্গি এলাকায় স্ত্রী অনিন্দিতাকে  নিয়ে থাকেন তিনি। কিন্তু তাতে কী! কমিশনের অ্যাপে স্বামী-স্ত্রী দু’জনের নামে শুনানির নোটিশ এসেছে বলে। ফলে নিজের নামে শুনানির নোটিশ যেমন নিজেকেই নিতে হয়েছে, তেমনি আবার স্ত্রী অনিন্দিতাকে নোটিশ ধরিয়েছে দেবশঙ্করই। আর পাঁচজনে মতোই এবার লাইনে দাঁড়াতে হবে সস্ত্রীক BLO-কেও।

BLO-কে শুনানির নোটিশ? দেবশঙ্করের আদিবাড়ি কেতুগ্রামের কোড়োলা গ্রামে। বাবার নাম পুলকেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এখন SIR-র লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসিতে নাকি পদবীর বানান ভুল রয়েছে! দেবশঙ্করের দাবি, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় বানান ঠিকই রয়েছে। তবুও তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে। স্ত্রী অনিন্দিতার বাপের বাড়ি  নদিয়া জেলার নাকাশিপাড়া থানার মাঝেরগ্রামে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসিতে বাবার সঙ্গে তাঁর বয়সের পার্থক্য ৫০ বছর। ফলে স্ত্রীকে শুনানির নোটিশ ধরিয়েছেন BLO স্বামী। 

কাটোয়ার মহকুমা শাসক অনির্বান বসু বলেন, ‘BLO হলেও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই তাঁকে কাজ করতে হয়৷ তাই নিজের পরিবারের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম পালন করছেন তিনি’। BLO দেবশঙ্কর জানান, ‘কেতুগ্রামে আমরা ভোট দিই৷  আমার বুথে ৭১২ জন ভোটার রয়েছেন৷ এর আগে ৭ জনের শুনানি হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্যায়ে এখন ৬২ জনের শুনানির জন্য় নোটিশ এসেছে। তারমধ্যে নিজেকে ও স্ত্রীকে নোটিশ ধরালাম’।

BLO কথায়,   ‘সবটাই AI-র জন্য লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি হচ্ছে ৷ কিন্তু আমি তো নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে কাজ করতে বাধ্য।  সেখানে আলাদা করে আমার নিজের পরিবারের কোনও গুরুত্ব নেই৷ পাঁচজনকে নোটিস ধরাতে গেলে আমাকে যেমন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় আমার স্ত্রীও একই ভাবে প্রশ্ন করেছে’।

বাংলার SIR-র এনুমারেশন পর্ব তখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। ‘আনকালেক্টেড’ ক্যটেগরিতে পড়ে গিয়েছিলেন খোদ CEO দফতরের কর্তাই! অর্থাত্‍ BLO-র রিপোর্টে তাঁর ফর্ম ছিল ‘আনকালেক্টেড”।  কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর বিধানসভার  এলাকার বাসিন্দা CEO দফতরের ওই কর্তা। SIR শুরু হওয়ার পর যথারীতি অনলাইন নিজের ফর্মটি ফিলাপ করে নির্দিষ্ট সার্ভারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তখনও পর্যন্ত ওই কমিশন কর্তার বাড়িতে ফর্ম পৌঁছে দেননি সংশ্লিষ্ট BLO।

এদিকে কমিশনের নিয়মে কোনও BLO যদি কোনও ভোটারের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে না পান, তাহলে ভোটারকে ‘আনকালেক্টেবেল’ বলে উল্লেখ করতে পারবেন তিনি নিজেই।  বিষয়টি জানামাত্রই BLO-কে ফোন CEO দফতরের কর্তা। BLO জানান, এনুমারেশন ফর্ম ‘আনকালেক্টেবেল’ হিসেবে জমা পড়ে গিয়েছে। কারণ হিসেবে জানানো হয় ওই পদস্থ আধিকারিক ওই বুথ এলাকার থাকেন না। বাইরে কোথাও থাকেন। তাঁর খোঁজ করেও যখন সন্ধান মেলেনি। 

আরও পড়ুন:  Makar Sankranti Snan: মকরস্নানের শুভ যোগ কখন? বৃহস্পতিবার কতক্ষণ থাকবে শাহী স্নানের সময়?

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *