West Bengal Assembly Election 2026: রাজ্যের হিন্দু-মুসলিম ভোটব্যাংক নিয়ে বড় দাবি! ছাব্বিশের রেজাল্টে ‘খেলা ঘোরার’ বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের…


অয়ন ঘোষাল: নিজেই নিজের মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। বলেছিলেন, আর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন না। সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুখ খুলবেন না। তবে, ফের মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। তবে ‘দাবাং’ দিলীপ এবার অনেকটাই সংযত। কিন্তু তারমধ্যেই বলে দিলেন বড় কথা। কড়া আক্রমণে বিঁধালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ।ছাব্বিশের মহারণে ভোটবাক্সে তৃণমূলে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও করলেন বড় ভবিষ্যদ্বাণী।

Add Zee News as a Preferred Source

আপনি দীঘা জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনে আমন্ত্রণ পেলেন। তাহলে আজ পেলেন না কেন?

আমি রোজ কোনও না কোনও মন্দিরে যাই। বছরের কোনও কোনও দিন হঠাৎ করে কোনও মন্দিরে গিয়ে নিজেকে ভক্ত প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করি না। 

মুখ্যমন্ত্রী তখন আপনাকে ডাকলেন। আজ ডাকলেন না কেন?

কামাখ্যা মন্দির বানিয়েছিল নরকাসুর। খারাপ লোকও অনেক সময় ভালো কাজ করে ফেলে। নরকাসুরের নাম আজ আমরা কেউ জানি না। কিন্তু সবাই কামাখ্যা মন্দিরে যাই। আমরা ভগবানের ভক্ত। আমরা মন্দিরে যাব। ভালো খারাপ সব লোক মন্দির বানায়। মানুষ ভগবানকে দর্শন করতে যায়। কে বানিয়েছে সেটা কেউ মনে রাখে না। 

একসময় মন্দির আর বিজেপি সমার্থক ছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে জগন্নাথ মন্দির তারপর দুর্গাঙ্গন এবং আজ মহাকাল মন্দিরের মধ্যে দিয়ে মাস্টার স্ট্রোক দিয়ে গেলেন তো!

মন্দির ভারতের ধার্মিক প্রাণকেন্দ্র। যদি সৎ উদ্দেশ্যে মন্দির তৈরি না হয়, তাহলে ভগবান নিজেই বাধা দেয়। দুর্গাঙ্গন যেখানে তৈরি হওয়ার কথা ছিল সেখানে করতে পারেনি। কোটি কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে। শেষে অন্য জায়গায় করতে হয়েছে। আপনি যদি ভগবানে শ্রদ্ধা রেখে মন্দির তৈরি করেন তাহলে ভগবান সেখানে আসবেন। দুর্গাঙ্গনের ক্ষেত্রে সেটা উলটো হয়েছে। 

বিজেপির মন্দির নীতি

বিজেপি নিজে কোথাও মন্দির করে না। অযোধ্যায় রামমন্দির সাধু-সন্তরা করেছে। বিজেপি নীতিগতভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছে। ওটা সাধারণ মানুষের দান এবং চাঁদার টাকায় তৈরি হয়েছে। আজ পরিস্থিতির চাপে কিছু লোককে মন্দিরে যেতে হচ্ছে এবং মন্দির তৈরি করতে হচ্ছে। ঠেলার নাম বাবাজি। ঠেলায় পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে।

আপনি মহাকাল মন্দিরে যাবেন ভবিষ্যতে?

আদৌ মন্দির হবে? কবে হবে? যদি হয় নিশ্চই যাব। আমি সব মন্দিরে যাই। ভারতের সমস্ত বড় মন্দিরে গিয়েছি। 

বিজেপির শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ এবার তৃণমূলের ফোকাস

ওনারা কি ধরে নিয়েছেন দক্ষিণবঙ্গে সর্বত্র জিতে গেছেন? এটা ঠিক যে উত্তরবঙ্গে আমাদের সংগঠন পোক্ত। পাশাপাশি উত্তরের মানুষ শান্তিপ্রিয়। দক্ষিণে গায়ের জোরে ভয় দেখিয়ে ভোট হয়। SIR শুনানি পর্যন্ত সঠিকভাবে করতে দেওয়া হয় না। আপনার কি মনে হয় এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও নৈতিক অধিকার আছে? এই সরকার ১৫ বছর দেখলেন। এবার সীমা অতিক্রম করে গেছে। মানুষ জবাব দেবে। 

মহাকাল মন্দির কি উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসকে অ্যাডভান্টেজ দেবে?

এতদিন তো মুসলিম করে দেখেছেন। এবার বুঝে গেছেন ওতে আর জেতা যাবে না। এবার হিন্দুদের জন্য মন্দির গড়ছেন। আমার মনে হয় না, হিন্দুরা মন্দির দেখেই খুশি হয়ে ভোট দিয়ে দেবে! মানুষ এখন অনেক বেশি ওয়াকিবহল। আপনাদের মুখ জোর করে বন্ধ করতে পারে! কিন্তু পাবলিকের মুখ বন্ধ করবে কীভাবে?

আরও পড়ুন, SBI BIG NEWS: SBI গ্রাহকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ! অনলাইনে বেশি টাকা পাঠাতে গেলেই এবার…নিয়মে বড় বদল… 

আরও পড়ুন, Bengal Budget 2026: ভোটমুখী বাংলায় মমতার বাজেটে রাজ্যবাসীর জন্য বড় চমক? বাড়ছে লক্ষ্মী ভান্ডার, ডিএ, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী সবের টাকা?

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *