মোদীর রাজ্যে খুন বাংলার মহিলা পরিযায়ী শ্রমিক! যে হোটেলে কাজ করতেন, সেই হোটেলেই… A Migrant workers dies mysteriously in Gujarat


সঞ্জয় রাজবংশী: মোদীর রাজ্যে খুন বাংলার মহিলা পরিযায়ী শ্রমিক?  হোটেলে পাওয়া গেল ঝুলন্ত দেহ। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের লোকেরা। চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটে।

Add Zee News as a Preferred Source

আরও পড়ুন:  Yuva Sathi: ছেলে গুয়াহাটি আইআইটিতে এম টেক পড়ুয়া, বাবা তুললেন যুবসাথী-র ফর্ম

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতের নাম সোনামণি বৈরাগ্য। নাদনঘাট থানার  সিদ্ধেপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বছর কুড়ি আগে বিয়ে হয় হয় সোনামণির। স্বামী মিঠুনও পেশা পরিযায়ী শ্রমিক। আর্থিক অনটনের কারণে বিয়ের পরই স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই চলে যান গুজরাতে। পরে মিঠুন ফিরে এলেও, গুজরাতেই থেকে যান সোনামণি।

পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, আমদাবাদের একটি রেস্তোরাঁয় মহিলা ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন সোনামণি।  গত শনিবার সেই রেস্তোরাঁ থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের লোকেদের দাবি, মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাঁদের মেয়েক খুন করা হয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন মৃতের স্বামী।

এর আগে, চেন্নাইয়ে রহস্যজনকভাবে মৃ্ত্যু হয়েছিল মালদহের এক শ্রমিকের। আট দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।  শেষে রেললাইনে ধারে জঙ্গলে পাওয়া যায় ক্ষতবিক্ষত দেহ। একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যুতে অথৈ জলে  পড়ে পরিবার।

পরিবার সূত্রে খবর, এলাকা কোনও কাজ নেই।  পেটের দায়েই চেন্নাইয়ে কাজ করতে গিয়েছিল মালদহের আলমগীর। অন্য একটি কাজের জন্য হায়দরাবাদে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। ট্রেনে ওঠার আগে নাকি স্ত্রীর সঙ্গে কথাও বলেছিলেন! পরিবারের লোকেদের দাবি, তারপর থেকেই আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না আলমগীরের। শেষে সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁরাই খবর দেন স্থানীয় থানায়। আট দিন পর চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে হায়দ্রাবাদ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তার পরের স্টেশনের কাছাকাছি রেল লাইনের ধারে জঙ্গল থেকে আলমগীরের ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়।

অন্ধ্রপ্রদেশে কাজ করতে দিয়ে একই পরিণতি হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার মঞ্জর আলমেরও। পেশায় তিনি জরি শ্রমিক। পরিবারের অভিযোগ, চুরির অপবাদ দিয়েই মঞ্জুরকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। মঞ্জুরের বাড়ি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার রঙ্গিলাবাদ গ্রামে গোয়াল খালি এলাকার। কাজ করতেন অন্ধ্রপ্রদেশে কোমারলু এলাকায়। বাড়িতে ফোন করে ২৫০০ টাকা চান তিনি। বলেন, টাকা না দিলে মেরে ফেলবে। বাড়ি থেকে ছয় হাজার টাকা ফোন পে করাও হয়েছিল। তার পর থেকে আর কোনও খবর ছিল না। শেষে মৃত্যুসংবাদ আসে।

আরও পড়ুন:  SIR in Bengal: বিগ ব্রেকিং! SIR হিয়ারিঙের শেষবেলায় কমিশন জানাল বড় কথা, বাদ যাচ্ছে এঁদের নাম…

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *