জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিঃশব্দে বিদায় নিলেন পরিচালক ও ডিকশন কোচ এম.এম বেইগ (MM Baig)। মুম্বইয়ের আবাসন থেকে উদ্ধার হল তাঁর পচাগলা দেহ। ‘বেবি গুড্ডু’ খ্যাত প্রাক্তন শিশুশিল্পীর বাবা এবং অভিনেতা হৃত্বিক রোশনের বাচনভঙ্গির শিক্ষক হিসাবেও তিনি ছিলেন পরিচিত। তাঁর মৃত্যুতে বিমর্ষ বি-টাউন। বয়স হয়েছিল সত্তর।
আরও পড়ুন- Author Sankar Passes Away: আর সীমাবদ্ধ নন, চৌরঙ্গীর জনঅরণ্যে মিলিয়ে গেলেন শংকর…
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন এম এম বেইগ। বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিবেশীরা তাঁকে দেখতে না পেয়ে এবং তাঁর ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকায় পুলিশে খবর দেন। পুলিস এসে দরজা ভেঙে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর ঘনিষ্ঠ জনমহল সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন ধরেই তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন।
হৃত্বিক রোশনের কেরিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে এম.এম বেইগের অবদান অনস্বীকার্য। ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখার অনেক আগেই হৃত্বিককে সংলাপ বলা, উচ্চারণ সংশোধন এবং ভয়েস মড্যুলেশনের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন তিনি। রাকেশ রোশনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন বেইগ।
সহকারী পরিচালক হিসেবে জে ওম প্রকাশ, বিমল কুমার এবং রাকেশ রোশনের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। ‘আদমি খিলোনা হ্যায়’, ‘করজ চুকানা হ্যায়’, ‘কিষাণ কানহাইয়া’-র মতো জনপ্রিয় ছবিতে তাঁর কারিগরি দক্ষতা প্রশংসিত হয়েছিল। স্বাধীন পরিচালক হিসেবে তিনি শিল্পা শিরোদকরকে নিয়ে ‘ছোটি বহু’ (১৯৯৪) পরিচালনা করেন। নাসিরুদ্দিন শাহ অভিনীত তাঁর ‘মাসুম গাওয়াহ’ ছবিটি দুর্ভাগ্যবশত মুক্তি পায়নি। তাঁর কন্যা শাহিন্দা বেইগ ওরফে বেবি গুড্ডু আশির দশকের অন্যতম জনপ্রিয় শিশুশিল্পী ছিলেন। ‘নাগিনা’, ‘অউলাদ’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তাঁর এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে শোকস্তব্ধ বলিউড।
