অরূপ লাহা: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলার গোবিন্দভোগ, (Gobindabhog Rice Get UN Tag) খুশির হাওয়া পূর্ব বর্ধমানের দক্ষিণ দামোদরে। জেলার রায়না ও খণ্ডঘোষের সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ (Gobindabhog Rice) আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল রাষ্ট্রসংঘে (United Nation Tag)। বাংলার তিন ধরনের ঐতিহ্যবাহী চাল– গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচূড়কে ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই ঘোষণায় খুশির হাওয়া পূর্ব বর্ধমানের রায়না ও খণ্ডঘোষ এলাকার কৃষক ও রাইস মিল মালিকদের মধ্যে।
গোবিন্দভোগ এবং
রাজ্যের শস্যগোলা হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ব্যাপকভাবে চাষ হয় গোবিন্দভোগ-সহ বিভিন্ন সুগন্ধি ধান। বিশেষ করে দক্ষিণ দামোদর এলাকার রায়না ও খণ্ডঘোষ ব্লকে এই ধানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য।
প্রতি বছর ৩০ হাজার মেট্রিক টন
ওই ধান থেকে চাল উৎপাদনের জন্য এই এলাকায় রয়েছে প্রচুর সংখ্যক রাইস মিল। রাইস মিল মালিক আব্দুল মালেক জানান, “গোবিন্দভোগ চালের চাহিদা গোটা বিশ্বেই রয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন গোবিন্দভোগ চাল বিদেশে রফতানি হয়। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলে চাহিদা আরও বাড়বে। রফতানির পরিমাণ দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
উচ্ছ্বসিত কৃষকদল
অন্য দিকে, এই স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বসিত দক্ষিণ দামোদর এলাকার কৃষকরাও। তাঁদের বক্তব্য, ইতিমধ্যেই বাজারে গোবিন্দভোগের চাহিদা বেড়েছে, ফলে লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। কৃষক কাঞ্চন সোম জানান, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর চাহিদা আরও বাড়লে চাষে উৎসাহ বাড়বে এবং উৎপাদনের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’
জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়ের মতে, এই স্বীকৃতি শুধু রফতানির ক্ষেত্রেই নয়, বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতির বিশ্বমঞ্চে মর্যাদা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)
