Hooghly News : প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! TMC জেলা সভাপতিকে মঞ্চ থেকে আক্রমণ কর্মাধ্যক্ষের – khanakul tmc leader attacked trinamool congress district president


Panchayat Elections পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! এবার খানাকুলে। তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে (Trinamool Congress District President ) প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে আক্রমণ করলেন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। খানাকুলের (Khanakul) চক্রপুর এলাকায় সভামঞ্চ থেকে প্রকাশ্যে জেলা সভাপতিকে ভাড়া করা নেতা বলে আক্রমণ করেন খানাকুল ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নূরনবী মণ্ডল। শিক্ষা অনুযায়ী মন্তব্য করেছেন বলে পালটা আক্রমণ করেন রামেন্দু সিংহ রায়ও (Ramendu Singh Roy)৷ আর এই নিয়েই খানাকুলে গোষ্ঠীকোন্দল মাথাচাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠল রাজনৈতিক মহলে৷ আর তৃণমূল কংগ্রেসের ‘গোষ্ঠীকোন্দল’কে হাতিয়ার করেই ময়দানে নেমে পড়েছেন বিরোধীরা৷

Malda News : নতুন ব্লক কমিটি নিয়ে অসন্তোষ, পদত্যাগ TMC নেতার
রবিবার খানাকুলে একই সময়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে পৃথক স্থানে তিনটি কর্মসূচি করা হয়। দু’টি কর্মসূচিতে যোগ দেন রামেন্দু সিংহ রায়। কিন্তু খানাকুল বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীর ডাকা কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেখা যায়নি জেলা সভাপতিকে। আর তারপরই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এই ভাবে জেলা সভাপতিকে আক্রমণ করতে দেখা যায় পূর্ত কর্মাধ্যক্ষকে। গত বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীর উপস্থিতিতে সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায়ের নাম করে পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নূরনবী মণ্ডল বলেন, “খানাকুলে আবার রামেন্দু সিংহ রায় যদি আসেন, জনগণ তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দিয়ে তাড়াবে৷ আপনার মতো ভাড়া করা দেড় ফুটিয়া নেতা আমাদের লাগবে না৷”

TMC Join : পঞ্চায়েত ভোটের আগে বড় ধাক্কা! উলুবেড়িয়ায় CPIM-BJP ছেড়ে TMC-এ যোগ বহু নেতার
এই বিষয়ে আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “যার যেমন শিক্ষা, সে তেমন বলবে৷ যেমন শিক্ষা, তেমন ভাষা বেরিয়েছি৷ দুই ব্লক সভাপতি অনুষ্ঠান করেছেন, দু’ জায়গাতেই আমি হাজির ছিলাম৷ আমি এর বেশি কিছু বলব না।” তবে এই ঘটনায় কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলেই দাবি করেছেন খানাকুল গত বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা পরিষদ সদস্য মুনসি নজিবুল করিম। তিনি বলেন, “আমাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। আমরা জেলা সভাপতিকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু উনি আসবে বলে আসেননি। পালটা খানাকুলের অন্য দিকে বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে মিছিল করেছেন। আমিও বিভ্রান্ত হয়েছি এতে৷ কর্মীরাও বিভ্রান্ত হয়ে ক্ষোভ দেখিয়েছেন৷” দলের মীরজাফরদের চিহ্নিত করে ছুড়ে ফেলতে হবে বলেও এদিন দাবি করেন তিনি৷ তবে তিনি মীরজাফর বলতে জেলা সভাপতির দিকেই আঙুল তুলেছেন কিনা, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে খানাকুলের রাজনীতির অন্দরে।

Suvendu Adhikari : বিরবাহাকে কুরুচিকর মন্তব্য! সিঙ্গুরের পর এবার শ্রীরামপুর থানায় শুভেন্দুর নামে FIR
এদিকে, এই সব দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি স্থানীয় BJP নেতৃত্ব। খানাকুল বিধানসভার BJP বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, “এখন করে খাওয়ার রাজনীতি চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা প্রতিটা পঞ্চায়েতে অনেক টাকা কামিয়েছেন৷ শুধু সাধারণ মানুষের টাকা লুটে নেওয়ার পরিকল্পনা৷ তাই এত নিজেদের মধ্যে এত মারামারি৷” এমনকি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা তাঁকে ভয় পাচ্ছেন বলেই প্রকাশ্য সভায় তাঁর নামে কুরুচিকর মন্তব্য করে আক্রমণ করছেন বলেও দাবি করেন তিনি৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *