স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ গ্রাম সভায় উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ অঞ্চলের আধিকারিকরা৷ প্রথমে গ্রাম সভা সুষ্ঠুভাবে শুরু হলেও, মিনিট কয়েক পর গ্রামবাসীরাই সেই সভা বানচাল করে দেন। গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়ান গ্রাম সভায় উপস্থিত বামকর্মী, সমর্থকরাও।
অঞ্চল কর্মীরা হাতে মাইক্রোফোন ধরে একের পর এক জবাব দিয়ে যান বামকর্মী সমর্থকদের। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে, ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হতে হয় দাসপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। কিছুক্ষণ পর দাসপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনীর হস্তক্ষেপে দু’পক্ষের বচসা থামে। যদিও বন্ধ করতে হয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে আয়োজিত গ্রাম সভা। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘‘গ্রাম সভায় যে তালিকা পড়ে শোনানো হয়, তাতে দেখি বেশিরভাগ উপভোক্তারই তিনতলা বাড়ি আছে৷ অথচ গ্রামের কাঁচা বাড়ির মানুষগুলোর নাম নেই৷ গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান ৩৪ বছরের কথা টেনে আনেন৷ আলোচনার জায়গায় না গিয়ে প্রধান সভাই বাতিল করে দেন৷’’
যদিও গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রধান কাজল সামন্ত বলেন, ‘‘BDO আমাদের ৯৬৩ জনের একটি তালিকা পাঠিয়েছেন৷ ১২২ জনের বাতিলের তালিকাও আমাদের দিয়েছেন৷ সেটি পাঠ করার পরই কয়েকজন গ্রামবাসী ঝামেলা শুরু করেন৷ সঙ্গে কয়েকজন বামকর্মীও যোগ দেন৷ যদিও তাঁরা সফল হননি৷ এলাকার মানুষজনই তাঁদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন৷’’ বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সচিব সৈয়দ মনসুর আলি বলেন, ‘‘বিশেষ সভা চলছিল আবাস প্লাসের তালিকা নিয়ে৷ এখানে আবাস প্লাসের তালিকা পড়ে শোনানোর পর যদি কেউ আপত্তি করে, সেটা বাতিলের আওতায় আসবে৷ এরপর বাতিলের তালিকা পড়ে শোনানো হবে, সেখানেও যদিও কেউ বলেন, তিনি যোগ্য অথচ ভুল করে বাতিল হয়ে গিয়েছে, সেটা শোনা হবে৷ প্রথম তালিকা পড়ে শোনাতেই বাকবিতণ্ডা শুরু হয়৷ তা কোনওভাবেই না থামায় প্রধান সভা বন্ধ করে দেন৷’’
