মণ্ডল পরিবারের সদস্য বলাই মণ্ডল জানিয়েছে, শনিবার মন্দিরের প্রবেশের দরজা খুলতে গিয়ে দেখেন দরজার তালা ভাঙা। এতে সন্দেহ হয় তাঁর। এরপর মন্দিরের মূল দরজা খুলতেই দেখেন, ভিতরে কিছু নেই। এমনকি মূর্তির গায়ে থাকা সোনার গয়নাও খুলে নেওয়া হয়েছে। শুধু সোনার গয়না নয়, পুজোর জন্য ব্যবহৃত বাসনপত্র নিয়েও দুষ্কৃতীরা চম্পট দিয়েছেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, যাওয়ার সময় মন্দিরের প্রণামী বাক্সটিও নিয়ে যায় চোরেরা। প্রমাণী বাক্স থেকে টাকা-পয়সা বের করে দূরের একটি বাঁশবাগানে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেটিকে সেখানকে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান বলাই। প্রায় ১ লক্ষ থেকে দুই লক্ষ টাকার মন্দিরের সামগ্রী চুরি গেছে বলে জানান তিনি।
মন্দিরের তালা ভেঙে চুরির ঘটনায় স্থানীয়রা কেউ জড়িত নন বলে জানিয়েছেন গ্রামেরই বাসিন্দা বলাই মণ্ডল। বহিরাগতরাই এই ঘটনার জন্য দায়ি বলে দাবি তাঁর।
এদিকে, তালা ভেঙে কামাখ্যা মন্দিরে (Kamakhya Temple) চুরির ঘটনায় গ্রামের তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। স্থানীয়দের একাংশ মন্দির প্রাঙ্গনে এসে ভিড় জমান। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয় তাঁরা।
মন্দিরে চুরির ঘটনায় নামখানা থানায় (Namkhana Police Station) দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ। এরপরে পুলিশের একটি দল চন্দ্রনগর গ্রামে আসেন। চুরি যাওয়া জিনিষপত্রের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। অভিযুক্তদের ধরতে হিমসিম খাওয়ার যোগার হয়েছে নামখানা থানা পুলিশের। এমনিতেই গ্রামের কোথাও নেই CCTV। ফলে চুরির কিণারা করতে নাজেহাল অবস্থা তাদের। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে দুষ্কৃতীদের একটি দল চুরির ঘটনা ঘটিয়ে চলছিল। অভিযুক্তদের ধরতে থানায় বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল। অভিযোগ করা সত্ত্বেও পুলিশ সমস্যা সমাধানে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানান তাঁরা।
