কেতুগ্রামে মাঠের মধ্যে মহিলার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার। তদন্তে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ।

হাইলাইটস
- চাষের জমি থেকে উদ্ধার ক্ষতবিক্ষত মহিলার মৃতদেহ।
- ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে।
- তদন্ত শুরু করেছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার এক মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় কেতুগ্রামের (Ketugram) ননগর এলাকায়। এদিন সকালে ননগর ও বামুনডিহি গ্রামের মাঝে একটি মাঠের মধ্যে মহিলার দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, ওই মহিলাকে কাজের সূত্রে ডেকে আনা হয়েছিল। মহিলার গলায় কাটা দাগ ছিল এবং গামছা বাঁধা ছিল বলে জানিয়েছেন প্রতক্ষ্যদর্শীরা। পরিবার সূত্রে খবর, মৃত মহিলার সঙ্গে এক ব্যক্তির বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এই ঘটনার সঙ্গে সেই ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান মৃতার পরিবারের সদস্যদের। মৃতের দিদি বলেন, “ওঁকে ফোন করে ডেকেছিল কাজ করার ব্যাপারে। কাজের জন্যেই ও সকালে এসেছিল। দেখলাম, ওর হাত-পা বাঁধা ছিল, গলায় গামছা বাঁধা ছিল। ওঁকে হয়তো গলা টিপে মেরে দিয়েছে। একটি ছেলের সঙ্গে ভালোবাসা ছিল। সেই এসব করেছে ফোন করে ডেকে।”
দেহটি পাওয়ার পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা এদিন কেতুগ্রাম থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে (Burdwan Hospital) পাঠায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার বা আটক হয়নি। পরিবারের তরফ থেকে কেতুগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মৃত মহিলার ছেলে বলেন, “মাকে ফোন করে ডেকেছিল কাজের জন্য। এরপর কী হয়েছে জানি না। আমার মাকে মেরে দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের সন্দেহ।” কীভাবে ওই মহিলার মৃত্যু হল খতিয়ে দেখছে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ (Ketugram Police Station)।
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর মাসে মালদা জেলায় ইংরেজবাজার থানার গাবগাছি যদুপুর এলাকায় ঘরের ভেতরে এক মহিলার (Woman) রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ (Dead Body) উদ্ধার হয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরে সেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসা হয়। মৃত বধূর নাম রিঙ্কি শীল মণ্ডল (২৬)। মহিলাকে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর স্বামী ছোটন মণ্ডলের বিরুদ্ধে।
আশপাশের শহরের খবর
Eisamay News App: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ
