শিউলি বলেন, “তিনি অভিনয়ের জগতে বাবার সন্তান হয়েছেন। প্রজাপতি ছবিতে মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দেব। অভিনয়ের জগতে এই কাজ করা খুব সহজ কিন্তু, বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়। আমার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেউ যদি অপমান করেন, তবে আমি তাঁর বিরোধিতা করব। মিঠুনদার বয়সকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি অনেক কাজ অনুষ্ঠানে ছিলাম মিঠুনদার সঙ্গে। দেবের মোটিভেশন ভালো। কিন্তু, মিঠুন যখন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন, তখন সেই কথাগুলি আমাদের ও নিচুতলার কর্মীদের আঘাত করে।”
গতকাল দাসপুরে গিয়ে একাধিক বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব। নীচুতলার কর্মীদের যে কোনও রাজনৈতিক সংঘাত থেকে বিরত থাকার বার্তা দিতে তাঁর ও মিঠুন চক্রবর্তী প্রসঙ্গ টেনে এনে দেবে বলেছিলেন, “আমি আর মিঠুন দা (Mithun Chakraborty) যদি বাবা ছেলের মতো থাকতে পারি, তবে কেন সাধারণ মানুষ নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে। রাজনীতি মানে লড়াই করা নয়। রাজনীতি মানে বিপদে আপদে মানুষের পাশে থাকা। রাজনীতির জন্য রক্তারক্তি বা মারপিটে আমরা বিশ্বাস করি না। একে ওপরকে শত্রু ভাবা উচিত নয় কারণ বিপজে পড়লে রাজনীতিক ঊর্ধ্বে উঠে তাঁর পাশের বাড়ির মানুষটা তাঁকে সাহায্য করবে।”
বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে আক্রমণ প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ। তিনি বলেন, “বন্দে ভারত এক্সপ্রেস মোদী বা দিদির ট্রেন নয়, এটা মানুষের ট্রেন। এটা কোন রাজনীতির বাহন নয়। দেশের মানুষের সঠিক শিক্ষার অভাব রয়েছে। সেই কারণেই ট্রেনে ভাঙচুর বা আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”
