ISIS Terrorist : ডার্কওয়েবে লিঙ্ক পাঠিয়েও আইএসের প্রচার সাদ্দামের – howrah isis terrorist isssue kolkata police found more unknown things


এই সময়: মধ্যপ্রদেশ থেকে ধৃত প্রাক্তন সিমি সদস্য আব্দুল রাকিব কুরেশির সঙ্গে হাওড়ায় ধৃত সাদ্দাম হোসেনের যোগাযোগ হয়েছিল ডার্ক ওয়েবের (Dark Web)মাধ্যমে। সংগঠনকে আড়ে বহরে বাড়ানোর জন্য দুজনের চ্যাটও হয়েছিল ভার্চুয়াল জগতে। সেই আলোচনা থেকে সাদ্দাম যোগাযোগ করেন বীরভূম, এবং দুই বর্ধমানের কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে। তাঁদের কাছে পাঠানো হয় আইএসের (ISIS) বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লিঙ্ক। বিষয়টি জানতে পেরে গোয়েন্দারা সেই পড়ুয়াদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। জানা গিয়েছে, কিছুদিনের মধ্যে কোনও একটি গোপন ডেরায় আইএসের এক বড় নেতার যোগ দেওয়ারও কথা ছিল। সেখানেই হয়তো ঠিক করা হতো, ভারতে কোনও রাজ্য, কী ভাবে, কবে হামলা চালানো হবে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গোপন বৈঠকটির জন্য তিন চারটি রাজ্যের নাম চূড়ান্ত হয়েছিল। তবে ঠিক কোথায় সেই বৈঠক হবে, তা আগে থেকে জানানো হয়নি কুরেশিদেরও।

Kolkata Police : আইএস-যোগে গোয়েন্দা নজরে বাংলার আরও ২
এসবের মধ্যেই জালে পড়ে যান মধ্যপ্রদেশের আব্দুল রাকিব কুরেশি এবং এ রাজ্যের মহম্মদ সাদ্দাম। কিন্তু সেই বড় নেতা কে? ধৃতরা কি ওই নেতাকে আগে থেকে চিনত? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে অভিযুক্তদের জেরা করছে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। শুধু তাই নয়, ধৃত কুরেশি আইএস জঙ্গি সংগঠনের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হলেও আগে তালিবান জঙ্গি সংগঠনের পক্ষে সওয়াল করেছিল বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। তালিবানি শাসনের পক্ষে নিজের বক্তব্যও পেশ করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের একটি আদালতে তাঁকে হাজির করার আগে।

ISIS Terrorist : বঙ্গে কি জঙ্গিদের সুইসাইড স্কোয়াড তৈরির ছক
ধৃত তিন সন্দেহভাজন নেতার মধ্যে কুরেশির ভূমিকা ছিল সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে খুনের চেষ্টার অভিযোগে ধরা পড়েন মধ্যপ্রদেশের ওই ব্যক্তি। ২০১৪ সালে তাঁকে আদালতে হাজির করার সময় তালিবানদের পক্ষে সওয়াল করেছিল কুরেশি। মোট তিনটি মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পরে ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পান তিনি। এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন আব্দুল কুরেশি। সেই মাধ্যমকে ব্যবহার করে বিভিন্ন রাজ্যের অনেকের মগজধোলাই করেন তিনি। তাঁদের মধ্যে অন্যতম এ রাজ্যের মহম্মদ সাদ্দাম। এ ভাবে আরও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আইএসের আদর্শে অনুপ্রাণিত করা জন্য। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, চলতি বছরে কোনও নির্দিষ্ট দিনে এদের হামলার কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তাও। এসটিএফ সূত্রের খবর, ধৃত তিনজনের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। সেই টাকা কোন রুট দিয়ে তাঁদের কাছে এসেছিল, সেটাও এখন তদন্তের আওতায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *