চে কন্যা আরও বলেন, “পৃথিবীটাকে আরও ভালো করতে হবে। চে’র বিশ্বদীক্ষা নিজের জীবনে পালন করতে হবে। ঐক্যের অভাবটা আমাদের ঘাটতি। রাষ্ট্রের একটা শক্তি আছে, কিন্তু জনগণের শক্তি তার থেকেও বেশি। এখন বিশ্বে ধর্মীয় বিভাজন ঐক্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্কে আমি আমার সংস্কৃতিকে শিশুর মধ্যে রোপন করতে পারি। আমাদের আরও কাজ করতে হবে”। কিউবাবাসী চে কন্যা পেশায় একজন চিকিৎসক। তার মেয়ে এস্তেফানিয়া মাচিন গুয়েভারা একজন অর্থনীতির অধ্যাপক। গতকাল শুক্রবার তাঁরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন এয়ার থিয়েটারে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে মিলিত হন। ঘটনাচক্রে, শনিবার সকালে চন্দননগরে (Chandannagar) যাওয়ার কথা ছিল আলেইদা ও তাঁর মেয়ের। কিন্তু পরিবর্তে অনুষ্ঠান হয় উত্তরপাড়ায়। বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে চন্দননগরের রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু বিশেষ কারনবসত তা বাতিল করা হয়। এর পরে মানকুণ্ডু সার্কাস মাঠে ওই অনুষ্ঠান করতে চাইলেও প্রশাসনিক অনুমতি মেলেনি। সূত্রের খবর, মাঠে অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রশাসন সংযুক্ত নাগরিক কমিটির সম্পাদককে চিঠি দিয়ে ওই দুই বিদেশি অতিথির চন্দননগরে আসা বা থাকার ব্যাপারে রেজিস্ট্রেশন অফিসারের অনুমতিপত্র এবং ওই সংগঠনের তরফে তাঁদের অনুষ্ঠান করা নিয়ে ভারত সরকারের ছাড়পত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে উদ্যোক্তারা তা দিতে পারেননি। তাই মাঠে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পাওয়া যায়নি।
