পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যাক্তির নাম অজিত বিশ্বকর্মা। তার বাড়ি ঝাড়খণ্ডের পালামৌ জেলায়। মঙ্গলবার তাকে পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের সীতারামপুর ও বরাচক স্টেশনের মাঝে আটক করে চিফ ইন্সপেক্টর অফ টিটিই মহঃ জাহিদ আখতারের নেতৃত্বে একটি টিকিট পরীক্ষকদের দল। বুধবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে তোলা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে মুম্বই মেলে টিকিট পরীক্ষার কাজ করছিলেন মহম্মদ জাহিদ আখতারের নেতৃত্বে টিকিট পরীক্ষকদের একটি দল। তাঁরা অভিযুক্ত অজিত বিশ্বকর্মার টিকিট চাইলে প্রথমে সে একটা সাধারণ টিকিট দেয়। টিকিটটি বিহারের জাপলা থেকে রানিগঞ্জ পর্যন্ত কাটা ছিল। কিন্তু সুপারফাস্ট ট্রেনে সাধারণ টিকিটে ভ্রমণ করা যায় না।
তাই তাকে জরিমানা দিয়ে টিকিটটিকে সুপারফাস্ট করে নিতে বলা হয়। তখন অভিযুক্ত বলে, “আমি নিজেই টিটিই। আসানসোলে রেল ডিভিশনে পোষ্টিং পেয়েছি। কাজে যোগ দিতে রানিগঞ্জে যাচ্ছি। সেখানেই হবে আমার প্রশিক্ষণ।” এরপর প্রমাণ হিসেবে একটি পরিচয়পত্র বের করে সে। সেই কার্ডে দেখা যায় সেটি আসানসোল রেল ডিভিশন থেকে ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু প্রশিক্ষণের স্থান রানিগঞ্জে বলায় সন্দেহ হয় মহম্মদ জাহিরের। এরপর আরপিএফকে জানানো হয়। আসানসোল স্টেশনে অজিত বিশ্বকর্মাকে আরপিএফ আটক করে। তারপর তাকে রেল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রেল পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার তাকে আসানসোল আদালতে তোলা হবে। পুলিশের জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে সে রেলে চাকরি পেয়েছে বলে প্রতারিত হয়েছে। এক ব্যাক্তি ওই পরিচয়পত্র দিয়ে রানিগঞ্জে আসতে বলেছিল। রেল পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।