এই বিষয়ে আরামবাগ চাঁদুর ফরেস্টের (Arambagh Chandu Forest) রেঞ্জার আসরাফুল ইসলাম বলেন, “এখনও পযন্ত যেটা জানা যাচ্ছে, একটা বড়ো হাতি এবং একটা বাচ্চা হাতি রয়েছে। সকালে খবর পেয়েই আরামবাগ থানার পুলিশ ও আরামবাগ রেঞ্জের কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় হল জনগণকে সাবধান করা। বনবিভাগের উচ্চ স্তরে খবর দেওয়া হয়েছে। বিষ্ণুপুর থেকে হল্লাপার্টি আসবে এবং অন্যান্য রেঞ্জের অফিসার এলে আলোচনা করে ঠিক করা হবে এই দুটি হাতির অভিমুখ কোন দিকে হবে।
অপরদিকে স্থানীয় মানুষ চন্দন মালিক জানান, সকালেই খবর পেলাম হাতি এসেছে। স্থানীয় লোকেরা তাণ্ডব করায় হাতিও জঙ্গল থেকে বের হচ্ছে আবার ঢুকে যাচ্ছে। মাঝেমধ্যে বিরক্ত হয়ে মানুষকে তাড়াও করছে। কালিপুরের জঙ্গলে রয়েছে। মানুষ আতঙ্কে রয়েছে পুনরায় হাতিটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ার আশঙ্কায়। সবমিলিয়ে দলছুট হাতির আতঙ্কে আতঙ্কিত আরামবাগবাসী। বন দফতরের কর্মীরা জানাচ্ছেন, খাবারের সন্ধানেই জঙ্গলের পথ ছেড়ে দাঁতাল হাতিটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। তবে বন কর্মীদের তরফে চেষ্টা করা হচ্ছে হাতিটি কোনওভাবে যাতে আর ফসল না নষ্ট করতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরও জানুয়ারি মাসে বাঁকুড়ার জঙ্গল থেকে আরামবাগের লোকালয়ে একটি হাতি ঢুকে পড়েছিল। পুনরায় গ্রামে হাতি ঢুকে পড়ায় ফসল নষ্টের কারণে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।
