Partha Chatterjee and Arpita Mukherjee accidentally met in virtual hearing at court


জামিনের আবেদন করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। মঙ্গলবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্য়াঙ্কশাল আদালতে তাঁর শুনানি চলছিল। অনলাইনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্সি জেল (Presidency Jail) থেকে কানেক্ট করা হয়েছিল তাঁকে। সওয়াল জবাব চলছিল আইনজীবী এবং বিচারকের মধ্যে। আচমকাই ভার্চুয়াল স্ক্রিনজুড়ে দেখা গেল অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। চোখাচোখি হল পার্থ এবং অর্পিতার (Partha And Arpita)। কয়েক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল শুনানি প্রক্রিয়া। হতবাক হয়ে পড়লেন বিচারক থেকে শুরু করে আইনজীবীরা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদনের শুনানির সময় হঠাৎ করে কেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ভার্চুয়াল স্ক্রিনে দেখা গেল তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় কোর্ট চত্বরে।

Partha Chatterjee News: ‘বিদ্যাসাগর শিক্ষাকে ১০০ বছর এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়…’, আদালতে তীব্র কটাক্ষ ED-র আইনজীবীর

হঠাৎ দেখা পার্থ-অর্পিতার (Partha Arpita)

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) তরফে জামিনের আবেদন করা হয়। সেই মর্মে মঙ্গলবার ভার্চুয়াল শুনানি ছিল ব্যাঙ্কশাল আদালতে। কিন্তু, শুনানি চলাকালীন আচমকাই একই ভার্চুয়াল স্ক্রিনে দেখা যায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। বিচারকের প্রশ্ন, “অর্পিতা মুখোপাধ্যায় কি জামিনের আবেদন করেছিলেন?” জবাবে তাঁর আইনজীবী জানান, তিনি কোনও আবেদন করেননি। ভুলবশত তাঁকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদনের শুনানিতে অনলাইন কানেক্ট করা হয়েছিল বলে জানান আইনজীবীরা। তারপরই বিচ্ছিন্ন করা হয় পার্থ এবং অর্পিতার ভার্চুয়াল কল।

Calcutta High Court : চাকরিপ্রার্থীর সুইসাইড নোটে জনৈক পার্থর নাম, CBI তদন্ত চাওয়া মামলার অনুমতি বিচারপতি মান্থার
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। এদিকে, আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে দিন কাটছে অর্পিতার। জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলে একবার করে তাঁদের আদালতে হাজিরার জন্য পেশ করা হয়। কখনও তা হয় ভার্চুয়াল মাধ্যমে। কখনও আবার সশরীরে উপস্থিত হতে হয় পার্থ অর্পিতাকে। CBI এবং ED দুই তদন্তকারী সংস্থাই এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পৃথক পৃথকভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। ফলে আলাদা আলাদা মামলায় হাজিরা দিতে হয় তাঁদের। যদিও গত বছর জুলাই মাসে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে একবারের জন্যও মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়নি পার্থ অর্পিতার। একাধিকবার তাঁদের তরফে আদালতে দাঁড়িয়ে জামিনের আবেদন করা হয়। আদালত চত্বরেই একাধিকবার কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছে দু’জনকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অর্পিতারও দাবি, স্ত্রীরোগে ভুগছেন তিনি। যদিও বারবারই প্রভাবশালীর তত্ত্ব দেখিয়ে জামিনের বিরোধীতা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীরা। বারবারই নাকচ হয়ে গিয়েছে তাঁদের জামিন। এবার হঠাৎ করে আদালত চত্বরে পার্থ এবং অর্পিতার মুখোমুখি সাক্ষাৎ ঘিরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *