Piyali Basak : পরিবার সামলাতে ভালো চাকরি চান পিয়ালি, অভিযানেও সাহায্যের আবেদন – mountaineer piyali basak request government for a better job and help about upcoming adventure project


Hooghly News : গত বছর ২০২২ সালের মে মাসে এভারেস্ট (Mount Everest) আর লোৎসে এক সঙ্গে জয় করেছিলেন চন্দননগরের (Chandannagar) পিয়ালি বসাক (Piyali Basak)। আর এবার অন্নপূর্ণা এবং মাকালু, অর্থাৎ পৃথিবীর দশম ও পঞ্চম উচ্চ শৃঙ্গে আহরোণ করবেন। আগামী ৯ মার্চ রওনা হবেন। এই অভিযানে প্রয়োজন প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযানের টাকা উঠেছিল ক্রাউড ফান্ডিং-এর মাধ্যমে। কিন্তু অন্নপূর্ণা অভিযানের টাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিভাবে টাকার সংস্থান হবে জানা নেই।

Mountaineer Piyali Basak : এভারেস্ট অভিযানে সাফল্য, রোমাঞ্চের টানে ফের বেরিয়ে পড়লেন পিয়ালি বসাক
কোনও স্পন্সর (Sponsor) এগিয়ে আসেনি তার জন্য। সরকার যদি সাহায্য করে তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন এই পর্বতারোহী। কাঁটাপুকুরের বাড়িতে রয়েছেন অসুস্থ বাবা। সেই সঙ্গে মা ও বোনকে নিয়ে চারজনের সংসার। ওষুধ পথ্যের খরচ যোগাতে হিমশিম খেতে হয়।

চন্দননগর (Chandannagar) কানাইলাল প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন পিয়ালি (Piyali Basak)। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার তার জন্য আরেকটু ভালো চাকরির ব্যবস্থা করলে ভালো হয় বলে মনে করছেন পিয়ালী। শত প্রতিবন্ধকতা আছে, আছে আর্থিক সমস্যা। তা সত্ত্বেও পর্বতারোহণে বেরিয়ে পড়েন ছোটো খাটো চেহারার পিয়ালি।

Prevention Of Soil Erosion : ভূমিক্ষয় রোধে মানুষ সচেতন হোক, বার্তা নিয়ে সাইকেল নিয়ে ভারত ভ্রমণে সুরেন্দ্র
অক্সিজেন ছাড়া পাহাড় চড়ার অভ্যাস তার সহজাত। শরীরে ওজন মাত্র ৪২ কিলোগ্রাম। হালকা ওজন আর ফুসফুসের প্রাকৃতিক ক্ষমতা পিয়ালিকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গিয়েছে। অনেক বিপদ থেকেও ফিরেছেন। শুধু এভারেস্ট জয় করে তাই থেমে থাকতে চান না পিয়ালী, আরও অনেক দূর যেতে হবে তাকে।

আট হাজারি শৃঙ্গগুলো একে একে জয় করতে শত বাধা পেরিয়ে যেতে চান পিয়ালি বসাক। আজ বুধবার চুঁচুড়ায় প্রেস ক্লাব অফ হুগলির সভাকক্ষে এক সাংবাদিক বৈঠকে তার পাশে থাকার আবেদন করেন পিয়ালি। পিয়ালির শিক্ষক সনৎ ঘোষ বলেন, “এভারেস্ট জয় করা কঠিন কাজ। আর তার চেয়েও কঠিন দেশ বিদেশে থাকা ১৪ টা দূর্গম আট হাজারি শৃঙ্গগুলোর শীর্ষে ওঠা।”

Hooghly News : চিকিৎসার গাফিলতিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, উত্তেজনা চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে
সেই কাজটাই করতে চান পিয়ালি। সাধারণত এই ধরনের অ্যাডভেঞ্চারে যারা আসেন, তাঁদের লক্ষ্যে পৌঁছানো খুব কঠিন। যখন কোনও স্পন্সর থাকে না তখন ক্রাউড ফান্ডিং-এর প্রয়োজন হয়। এদিকে ক্রমশ এই অ্যাডভেঞ্চারে খরচ বাড়ছে।

এই বিষয়ে পিয়ালি জানান, “এই মুহূর্তে স্পন্সরের অভাব রয়েছে। কোনও স্পন্সর পাওয়া যাচ্ছে না। তাই চিন্তায় আছি। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার সাহায্য করলে ভালো হয়। আর আমি যে চাকরি করি এই মুহূর্তে, এর থেকে যদি আর একটু কোনও ভালো চাকরি পাই, তাহলে সংসার চালাতে সুবিধা হবে আমার।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *