Malda Medical College : জটিল অস্ত্রোপচার মালদা মেডিক্যাল কলেজে, প্রাণ বাঁচল একরত্তির – malda medical college and hospital doctors done a critical operation and save life child


West Bengal News : দেড় ঘন্টার চেষ্টায় ছ’বছরের শিশুর অস্ত্রোপচার করে সাফল্য পেল মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কালিয়াচকের পশ্চিম খাস চাঁদপুরের বাসিন্দা কিসমত শেখের ৬ বছরের সন্তান আব্দুল হামিদ শেখ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ বাড়িতে কুরকুরে খাচ্ছিল। কুরকুরের প্যাকেটের সঙ্গে খেলনা প্লাস্টিকের বাঁশি ছিল। সেই বাঁশি বাজানোর সময় আচমকা মুখে ঢুকে ওই শিশুর গলায় আটকে পরে।

Malda Medical College : রোগীর মাথায় উঠে নাচছে ইঁদুর! মালদা মেডিক্যালের ভিডিয়ো ঘিরে তোলপাড়
এর ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তড়িঘড়ি ওই শিশুকে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর রাতে সেখান থেকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। মালদা মেডিকেল কলেজের ডাক্তার গণেশ চন্দ্র গাইন, ডাক্তার শুভজিৎ সরকার, ডাক্তার এম এ রহমান সহ প্রায় আটজনের এক টিমের প্রচেষ্টায় প্রায় দেড় ঘন্টার অস্ত্রোপচার সফল হয়।

বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। ডাক্তারদের এই প্রচেষ্টায় শিশু সুস্থ হওয়ায় পরিবারের লোকজন মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের ধন্যবাদ জানান।

Malda Municipality : মন্দার বাজারে কাউন্সিলরদের বেতন বাড়ল ৫ হাজার, বিতর্ক পুরাতন মালদা পুরসভায়
এই বিষয়ে কিসমত শেখ বলেন, “কুরকুরে খেতে খেতে কখন যে আমার ছেলে ওই প্লাস্টিকের বাঁশি মুখে ভরে নিয়েছিল বুঝতেই পারিনি। হঠাৎ করে বাচ্চার শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় বুঝতে পারি। তখনি নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাই। কিন্তু সেখান থেকে আমাদের মালদা মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে দেয়। ওখানকার ডাক্তারবাবুদের জন্যই আজ আমার ছেলে বেঁচে গেল। কি বলে যে ধন্যবাদ জানাবো ওনাদের, বুঝতে পারছি না।”

এই বিষয়ে মালদা মেডিকেল কলেজেরENT বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর গণেশচন্দ্র গাইন জানান, “ওই শিশুটিকে যে অবস্থায় মালদা মেডিকেল কলেজে আনা হয়েছিল তাতে আর কিছুক্ষণ দেরি হলে প্রাণ সংশয় দেখা যেত। তাই তরিঘড়ি আ্যনাস্তেসিস্ট সহ ৮ জনের একটি বিশেষ ডাক্তারদের দল গঠন করা হয়।”

শুধু এই অস্ত্রোপচারই নয়, সম্প্রতি আরও এক জটিল অস্ত্রোপচারে সাফল্য লাভ করেছে এই হাসপাতাল। প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর গলা থেকে একটি সেফটিপিন বের করে তার প্রাণ বাঁচান ডাক্তারবাবুরা। জানা গিয়েছে, মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে এক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ওড়না খোলার সময় সেফটিপিন মুখে আটকে রাখেন। অসাবধানতাবশত তা গলার ভিতরে চলে গিয়েছিল।

Purulia News : ছোটদের ঝগড়া বদলে গেল পারিবারিক ঝামেলায়! পুরুলিয়ায় কাকার হাতে খুন ভাইপো
সেই সেফটিপিনটি আটকে পড়েছিল গলার শ্বাসনালির কাছে। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন। সেখানে এই একই টিমের ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় ব্রঙ্কোস্কোপির সাহায্যে ওই ছাত্রীর গলা থেকে বের করা হয় সেফটিপিনটি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *