Anubrata Mondal Latest News : ‘বীরভূমের বিষ খেতেন…’, অনুব্রতকে ‘নীলকণ্ঠ’ বলার কারণ ব্যাখ্যা জেলা সহ সভাপতির – tmc leader moloy mukherjee address anubrata mondal as nilkanth


গোরু পাচারকাণ্ডের জেরে আপাতত তিহাড়ের জেলেই ঠাঁই হয়েছে বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের। তবে দল তাঁর উপর ভরসা রেখেছে। এখনও বীরভূমে তৃণমূলের সভাপতি তিনি। কিছুদিন আগেই ED-CBI, এই এজেন্সিগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার কিছুটা একইসুর শোনা গেল তৃণমূলের বীরভূম জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়ের। এখানেই শেষ নয়, নাম না করে তিনি অনুব্রত মণ্ডলকে নীলকণ্ঠ শিবের সঙ্গেও তুলনা করলেন।

Sukanya Mondal : ‘বাবার খোঁজ নেয় না কেউ’, তৃণমূল নেতাদের সামনে জিনিসপত্র ভাঙচুর অনুব্রত-কন্যার
ঠিক কী বলেছেন তিনি?
শুক্রবার মহম্মদবাজারে তৃণমূলের একটি কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন মলয় মুখোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি বলেন, “যখন সমুদ্র মন্থন হয়েছিল সেই সময় অমৃতের সঙ্গে গরলটাও উঠে আসে। সেই সময় গরল পান করার লোক ছিল না। এখন বর্তমানে যে অবস্থা আমাদের বীরভূম জেলায়, সেই বিষ যিনি পান করতে পারতেন তিনি এখন আমাদের কাছে নেই। রাজনীতির প্যাঁচ কষে তাঁকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে।”

Anubrata Mondal News : দিল্লি হাইকোর্টে জামিন পেলেন না অনুব্রত, ২৭ জুলাই পরবর্তী শুনানি
তাঁর এই মন্তব্যে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়েছে।

এই মন্তব্য প্রসঙ্গে তাঁকে ফোন করা হলে মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমি এই কথা বলেছি কারণ অতীতে জেলায় যখনই দলীয় নেতাদের কারও রাগ হয়েছে, অভিমান হয়েছে সেই সময় তাঁকে কাছে ডেকে তাঁর কথা হজম করতেন অনুব্রত। তাঁর সঙ্গে কথা বলে সঠিক পরামর্শ দিতেন। এত মানুষের ক্ষোভ তিনি হজম করতেন এবং তাঁদের বুঝিয়ে ফেরত পাঠাতেন যাতে তাঁরা নিজেদের কাজটা ঠিকমতো করেন।”

Anubrata Mondal Satabdi Roy: ‘মিস করছি না …’, তিহাড়ে বন্দি কেষ্টকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেই ভোলবদল শতাব্দীর
তাঁর সংযোজন, “এই কারণেই আমি তাঁকে নীলকণ্ঠ বলেছি।” অন্যদিকে, শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ অনুব্রত মণ্ডলের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের সঙ্গে দেখা করতে বীরভূমে গিয়েছিলেন তৃণমূলের একাধিক নেতা। তাঁরা বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়িতে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

Cow smuggling case: তিহাড়েই রোজা পালন, হাজিরা নিয়ে বিশেষ আর্জি এনামুল ও অনুব্রত দেহরক্ষীর
সূত্রের খবর, এদিন দলীয় প্রতিনিধিদের সামনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুকন্যা। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। তাই বলতে পারব না। দিদি কালীঘাটের বৈঠকে বলেছিলেন সুকন্যার খেয়াল রাখতে। তাই হয়তো সেখানে গিয়েছিলেন নেতারা। মান অভিমান থাকলেও থাকতে পারে। এর বেশি কিছু আমার জানা নেই।”

প্রসঙ্গত, গত বছর গোরু পাচার মামলায় CBI-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে হেফাজতে নিতে চেয়েছিল ED। আপাতত তিনি আদালতের নির্দেশে রয়েছেন তিহাড়ে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *