জানা গিয়েছে, আহত ব্যক্তির নাম সঞ্চয়ন বিশ্বাস। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও আততায়ীরা এখনও পলাতক বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, হরিদেবপুর বড়বাগান শ্রীভূমি টাওয়ারের কাছে বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটে।
শ্রীভূমি আবাসনের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন সঞ্চয়ন বিশ্বাস। ফ্ল্যাটের নিচের তলায় সঞ্চয়ন বিশ্বাস তাঁর মাকে নিয়ে থাকতেন। এই ফ্ল্যাটের কাছেই আক্রমণের ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় কাটারি নিয়ে আক্রমণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত কাল রাত ৮ টার সময় দু’জন ব্যক্তি সঞ্চয়নকে ওই ফ্ল্যাটের সামনে পেয়ে হঠাৎ চড়াও হন। ফ্ল্যাটের CCTV ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, দুজন ব্যক্তি এসেছিল সঞ্চয়নকে মারতে এসেছিল। তার মধ্যে একজন ব্যক্তি হাতে কাটারি নিয়ে আসে। সঞ্চয়ের উপর এলোপাথাড়ি হামলা চলায়। ওই ব্যক্তি কাটারি দিয়ে অনবরত কোপাতে থাকে সঞ্চয়নকে।
সঞ্চয়ন কোনওরকমে পালিয়ে নিজের ফ্ল্যাটের সামনে চলে যায়। তারপর আততায়ীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফ্ল্যাটের চারিপাশে এখনও রক্ত ছড়িয়ে রয়েছে। দুই আততায়ী পলাতক। ফ্লাইটের সামনেই গুরুতর আহত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি।
ঘটনাটি লক্ষ্য করে ছুটে আসেন অন্যান্য বাসিন্দারা। আহত সঞ্চয়ন বাবুকে তড়িঘড়ি কলকাতার পিজি ভর্তি করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজন বলে খবর। তবে কারা এই ঘটনা ঘটালো সে সম্বন্ধে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি পুলিশ।
তবে প্রাথমিক অনুমান পুরনো কোনও শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা। দুই অভিযুক্তর খোঁজ চালাচ্ছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। CCTV-র ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ আশেপাশের জিজ্ঞসাবাদ করে দেখছে। তবে ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে ওই আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দারা। শীঘ্রই আততায়ীদের ধরার ব্যাপারে পুলিশের কাছে আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রসঙ্গত,গত বছরই হরিদেবপুরের চকরামনগত থেকে উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মৃতদেহ। মৃত ব্যক্তির নাম বাপ্পা ভট্টাচার্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি হরিদেবপুর থানা এলাকায় জিয়াদার গোটের কাছে একাই থাকতেন দোতলার বাড়িতে। পেশায় তিনি চা পাতা কোম্পানিতে কাজ করতেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, মাথা থেঁতলে তাঁকে খুন করা হয়।
