Alipurduar Tourism : এখনও হয়নি উদ্বোধন, তার আগেই চিলাপাতার সেলফি পয়েন্টে ভিড় পর্যটকদের – tourists going to visit alipurduarchilapata selfie point before inauguration


West Bengal News : ডুয়ার্সের যত জঙ্গল রয়েছে তার মধ্যে চিলাপাতাকে সবচেয়ে গভীর জঙ্গল বললে ভুল হবে না। এই জঙ্গলে পর্যটকদের ভিড়ও খুব বেশি হয় না। সেই কারণেই হয়তো জঙ্গলের মধ্যে শান্তি অনুভূত হয়। পর্যটকদের টানার জন্যই এবার আকর্ষণের নতুন কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে চিলাপাতা সেলফি পয়েন্ট। এই সেলফি পয়েন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এখনও হয়নি। তবে তার আগেই অনেককে আকর্ষণ করছে এই সেলফি পয়েন্ট।

চিলাপাতা মোড় থেকে পশ্চিমদিকে বানিয়া বস্তি যেতে বাঁদিকে শালবাগানে গড়ে তোলা হয়েছে এই সেলফি পয়েন্ট। লেখা রয়েছে ‘আই লাভ চিলাপাতা’। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের তরফে বন দফতরের জমিতে এই সেলফি পয়েন্টে তৈরি করা হয়েছে।

Alipurduar News : চিনা আগ্রাসন নিয়ে প্রতিবাদ, এক মাস ব্যাপী পদযাত্রা ভারতে বসবাসকারী তিব্বতিদের
এই বিষয়ে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে বলেন, “অনেকদিন ধরেই এটি ভাবনার পর্যায়ে ছিল। শেষ পর্যন্ত তৈরি করা হল।উদ্বোধন হয়নি এখনও, তাতেই যে পর্যটক ও স্থানীয়রা এটিকে উপভোগ করছেন, দেখে ভালো লাগছে। এই সেলফি পয়েন্ট চিলাপাতার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করবে।”

অনেককেই দেখা যায় এই সেলফি পয়েন্টের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি বা সেলফি তুলতে। এক পর্যটক জানান, “এই প্রথমবার এখানে এলাম। এসেই এই সেলফি পয়েন্ট দেখলাম। এখন রাজ্যের নানান জায়গায় এরকম সেলফি পয়েন্ট গড়ে তোলা হচ্ছে শুনেছি। দেখে ভালো লাগছে। ছবি তুললাম।”

Leopard Attack : গাছের মগডালে বসে ওটা কী! ভরদুপুরে আতঙ্কে কাঠ গ্রামবাসীরা
খুশি হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। এই সেলফি পয়েন্টের জন্য পর্যটকদের আনাগোনা বাড়বে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন। ডুয়ার্স সফরে গিয়ে সকলে সবার আগে ছুটে যান গরুমারা, জলদাপাড়া, হলং, জয়ন্তীতে। হঠাৎ করে চিলাপাতা ফরেস্টে খুব বেশি মানুষের আনাগোনা হয় না এখানে।

ডুয়ার্সের এই জঙ্গলের যাত্রা অতি মনোরম, আদিম আর বন্যতায় ভরা। চিলাপাতার জঙ্গলের একটা বড় ইতিহাস রয়েছে। এই জঙ্গলকে বলা হয়ে থাকে কোচ রাজাদের মৃগয়াক্ষেত্র। এখানে তাঁরা শিকার করতে আসতেন। কোচ রাজার সেনাপতি ছিলেন চিলা রায়। তিনি চিলের মতো ছোঁ মেরে শত্রু নিধন করতে পারতেন।

Raiganj Wildlife Sanctuary : পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হচ্ছে কুলিক পক্ষী নিবাস, আশ্বাস বন মন্ত্রীর
তাঁর নামেই এই অরণ্যের নাম রাখা হয়েছিল চিলাপাতা। রেঞ্জ অফিস থেকে পারমিট করিয়ে তবে এই জঙ্গলে প্রবেশ করা যায়। সকাল ৫টা থেকে চলে জঙ্গল সাফারি। বিকেল ৫টায় শেষ সাফারি। কোচ রাজাদের গড়ের ভগ্নাবশেষেরও দেখা মেলে সেখানে। গণ্ডার, হাতি, গাউরের মত একাধিক জন্তুর দেখা মেলে। এছাড়াও হরিণ ও বাইসনের দেখা পাওয়া যায় অহরহ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *