বুধবার ভাঙড় থানায় প্রাক্তন প্রেমিকের নামে অভিযোগ দায়ের করেন ওই গৃহবধূ। পুলিশ অভিযোগের পরই ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রেমিক কাশীপুর থানা এলাকার বামুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। নাম আলম মোল্লা। জানা গিয়েছে, এলাকারই বাসিন্দা ওই গৃহবধূর বিয়ের আগে তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক (Love Story) ছিল আলমের। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও সেই কথা লুকিয়ে তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলম বলে অভিযোগ। সেই প্রেমের সম্পর্কে (Love Relation) থাকাকালীন অভিযুক্ত একবার ওই তরুণীকে বেড়ানোর নাম করে ধামাখালি গেস্ট হাউসে নিয়ে যায়। সেখানে সম্মতির ভিত্তিতেই প্রেমিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন অভিযুক্ত। অভিযোগ, সেসময় বান্ধবীকে না জানিয়ে তাঁর কিছু নগ্ন ছবি তুলে নিজের কাছে রেখে দেয় আলম। সেই ছবিই হাতিয়ার করে বিয়ের পর থেকে তরুণীকে উত্যক্ত করে আসছে অভিযুক্ত বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই গৃহবধূ।
জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কিছুদিনের মধ্যেই ওই তরুণীর বাড়ির লোক যুবকের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায়। তখনই জানা যায় আলম মোল্লা বিবাহিত। শুধু তাই নয়, তাঁর দুই সন্তানও রয়েছে। প্রেমে এমন ঘা খেয়ে ভেঙে পড়েন ওই তরুণী। বছর খানেক পরে তাঁর অন্যত্র বিয়ে দেন পরিবার।
জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক সুখে শান্তিতেই ঘরকন্না করছিলেন তরুণী। আচমকা সুখের সংসারে আগুন লাগাতে উপস্থিত হন আলম মোল্লা। ফোন করে তরুণীকে ব্ল্যাকমেল করেন। তাঁর স্বামীর কাছে অতীতে তোলা সেই নগ্ন, আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে দেন। তাতে তরুণীর বিবাহিত জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে। দাম্পত্য সম্পর্কের এতটাই অবনতি হয় যে তরুণীকে বাপের বাড়ি রেখে চলে যায় তাঁর স্বামী। এতেই শেষ হয়নি আলমের কারসাজি। গত ১২ নভেম্বর ফেসবুকে তরুণীর কিছু আপত্তিকর ছবি পোস্ট করে দেয় সে। এবার আর দেরি না করে ১৫ তারিখ থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
