স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার হরিপুর এলাকায়। পা পিছলে ছাদ থেকে নিচে পড়ে গিয়ে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হল ওই ব্যক্তির। নতুন তৈরি করা ছাদে জল দিতে গিয়ে নিচে পড়ে গিয়ে গলায় লোহার রড ঢুকে যায় তাঁর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিলীপ জানা এলাকায় একজন ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ী। ব্যবসার জন্যেই বাড়ির পাশে একটি নতুন দোকান ঘর তৈরি করছিলেন। গত দু’দিন আগে ওই দোকান ঘরের ছাদ ঢালাই হয়। রবিবার বিকেলে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে ওই দোকান ঘরের ছাদে জল দিতে যান তিনি। ছাদে জল দেওয়ার সময় পা পিছলে হঠাৎ নিচে পড়ে যান দিলীপ। পড়ার সময় একটি লোহার রড দিলীপবাবুর গলায় ঢুকে যায়। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নামখানা ব্লক হাসপাতালে (Namkhana Block Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে জানান। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে জানা পরিবারে।
দিলীপ জানার এক আত্মীয় বলেন, “দু’দিন আগে ওই দোকানের ছাদ ঢালাই হয়েছিল। এদিন বেলার দিকে উনি ছাদে জল দিতে যান। ছাদের ধার থেকে পা পিছলে পড়ে যান। ভারী শরীর হওয়ার কারণে ব্যালেন্সটা রাখতে পারেননি। আশেপাশে সেই সময় কেউ ছিল না। এরপর পড়ার সময় গলায় একটা রড ঢুকে যায়। আশেপাশের লোকজন তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি।”
প্রসঙ্গত, গত বছর এরকমই এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে মালদায় (Malda)। বাড়ির ছাদে টবে লাগানো গাছে জল দিতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান গৃহকত্রী। পাশেই ছিলেন ওই প্রৌঢ়ার স্বামী। তিনি ছুটে গিয়ে স্ত্রীকে বাঁচাতে যান। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই তিন তলার ছাদ থেকে নিচে এসে পড়েন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় স্বামীর। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে মালদা জেলার ইংরেজবাজার পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মালঞ্চপল্লী এলাকায়। মৃতের নাম সমীর হালদার। তাঁর স্ত্রী ঝুমা হালদার গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন।
