Mamata Banerjee : ‘আদালতে লড়তে লড়তে সব টাকা চলে যাচ্ছে’, বিধানসভায় সরব মুখ্যমন্ত্রী – mamata banerjee request to calcutta high court during speech at west bengal assembly session
“বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে।” বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিদের কাছে এই আবেদনই রাখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা প্রসঙ্গে টেনে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “আদালতে লড়তে লড়তে সব টাকা চলে যাচ্ছে। কথায় কথায় আদালতে চলে যাচ্ছে। তাই নতুন করে নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি আদালতকে আবেদন করব যাতে মানুষের সুবিধা হয়।” বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Mamata Banerjee: ‘ভোটার তালিকায় নাম তুলুন…ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেবে’, নাগরিকত্ব ইস্যুতে ফের সরব মমতা
দুয়ারে রেশ নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী

 

বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে এদিন উঠে আসে দুয়ারে রেশন প্রসঙ্গ। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পাবলিক চায় দুয়ারে রেশন। আদালতে আবেদন করা হোক। দুয়ারে রেশন চেয়ে আমরা সুপ্রিম কোর্টে আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছি।” এরপরই মমতার সংযোজন, “আমি একা খাব, কাউকে দেব না। সেটা হবে না। এর জন্য যতদুর যেতে হয় যাব। কারও গায়ের জোরের কাছে সরকার মাথা নীচু করবে না। দুয়ারে রেশন করবই।” মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যই ভুয়ো রেশন কার্ড বাদ দিয়েছে। প্রায় ৬২ লাখ কার্ড বাদ দেওয়া হয়েছে এই মর্মে। এই বিষয়টি টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি আর বেশি কিছু বলব না। ইশারাF কাফি।”

Laxmir Bhandar Scheme : শান্তিপুরে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে উপচে পড়া ভিড় মহিলাদের, কটাক্ষ বিরোধীদের
পর্যটন নিয়ে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন মমতা

পর্যটনের উন্নয়ন নিয়ে এদিন বিধানসভা থেকে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেন মমতা। তিনি বলেন, “আমরা পর্যটন নিয়ে অনেক কাজ করছি৷ হুগলিতে সবুজ দ্বীপ করেছি, রিসর্ট হয়েছে। জয়রামবাটি-কামারপুকুরকে ঘিরে নতুন হাইওয়ে হচ্ছে। ব্যান্ডেল চার্চ, চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজো, শ্রীরামপুর মাহেশের রথ, তারকেশ্বর সব জায়গায় কাজ করেছি। বাকিটা কি থাকল? হোম স্টে আমাদের একটা অ্যাসেট। আমি লামাহাটায় এটা শুরু করেছিলাম। এখন সব জায়গায় হচ্ছে। বেলপাহাড়ি উন্নত করেছি। জঙ্গলমহলে রক্তপাত বন্ধ হোক। মুকুটমণিপুর, বিষ্ণুপুর সাজিয়েছি। আমি জয়ন্তীতে নতুন কটেজ বানিয়েছি। মাল থেকে নতুন রাস্তা করেছি। সুরক্ষিত মনে হলে তবেই রোপওয়ে তৈরি করব।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *