গোরুপাচারকাণ্ডে এবার প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে তলব ইডি-র


বিক্রম দাস: গোরুপাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলের পর এবার তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে তলব করল ইডি। প্রাক্তন এই আইপিএস অফিসার একসময় মুর্শিদাবাদের পুলিস সুপার ছিলেন। সেই সময়কার কিছু তথ্য জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই হুমায়ুন কবীরের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে এমনটাই ইডি সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন- ‘নেইমারকে অহেতুক মারা বন্ধ করুন!’ ফিফা-র কাছে আর্জি জানিয়ে বিস্ফোরক তিতে   

ইডি সূত্রে খবর, হুমায়ুন কবীর যখন মুর্শিদাবাদের পুলিস সুপার ছিলেন। ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেশকিছু ঘটনা ঘটেছিল। সেইসব ঘটনা সম্পর্কে তথ্য হুমায়ুন কবীরের কাছ থেকে পেতে চায় এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। ইডির নোটিসে হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে দিল্লিতে। তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, ইডির কোনও নোটিস তিনি পাননি। 

গোরুপাচার মামলায় শুধু হুমায়ুন কবীরই নয়, গোরুপাচারকাণ্ডে হুমায়ুন কবীর ছাড়াও আরও কয়েকজন আইপিএস অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইডি। খুব শীঘ্রই তাদের নোটিস পাঠিয়ে তলব করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ওই তালিকায় রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যদার এক আধিকারিকও। তিনি একসময় মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের পুলিস সুপার হিসেবে কাজ করেছেন। ইডি সূত্রে খবর, আগামী ৩ ডিসেম্বর হুমায়ুন কবীরকে দিল্লিতে ডাকা হয়েছে। তবে তাঁকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় আর্থিক তদন্ত সংস্থা সূত্রে খবর, গোরুপাচার কাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে তাদের হাতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে। মুর্শিদাবাদের পুলিস সুপার থাকাকালীন হুমায়ুন ওইসব বিষয়ে কী জানতেন সেটাই তাঁর কাছ থেকে জেনে নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গোরুপাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে আসানসোলের জেলে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার তোড়জোড় শুরু করেছে ইডি। ইতিমধ্যেই অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করেছে ইডি। পাশাপাশি তার স্ত্রী ও শাশুড়িকেও জেরা করা হয়েছে। গোরুপাচারকাণ্ডে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সেই টাকা অনুব্রত তাঁর পরিচিত বা আত্মীয়দের অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App) 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *