Downhill School Kurseong : বই বিতরণকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা পাহাড়ের অভিজাত স্কুলে, হাসপাতালে প্রধান শিক্ষিকা – downhill school kurseong chaos creates for book distribution


বই বিতরণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা পাহাড়ের প্রাচীন স্কুলে, স্কুলে বই বিক্রির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকাকে চিঠি SDO র। বই বিতরণকে (Book Distribution) কেন্দ্র করে উত্তেজনা পাহাড়ে৷ কার্শিয়াংয়ের ডাউনহিল স্কুলের (Downhill School) ঘটনা৷ স্কুলেই বই বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে SDO কে চিঠি দেন বই বিক্রেতারা৷ তাঁদের দাবি, প্রতি বছর ডাউনহিল স্কুলের জন্য বই বিক্রি করেন তাঁরা৷ এখন স্কুলেই কেন বই বিক্রি করা হচ্ছে? কেন এটা ছাত্রদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে? অভিভাবকরা নিজেদের পছন্দমতো যে কোনও জায়গা থেকে বইটি কিনতে পারেন বলেও দাবি করেন বই বিক্রেতারা৷ এরপরই এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে স্কুলে চিঠি পাঠান SDO৷ বৃহস্পতিবার সেই বই বিতরণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়৷ তাতে টেনশনে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কার্শিয়াং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷

SSC Scam In Bengal: ফাঁকা OMR শিট জমা দিয়ে চাকরি! ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ হতেই বেপাত্তা শিক্ষিকা
পাহাড়ের প্রাচীনতম এবং বিখ্যাত স্কুলগুলির মধ্যে একটি এই ডাউনহিল স্কুল (বালিকা), যেটি কার্শিয়াংয়ে অবস্থিত৷ এই স্কুলে পড়ুয়ারা শুধুমাত্র কার্শিয়াং থেকেই নয়, বাংলাদেশের মতো অন্যান্য দেশ থেকেও আসে৷ ডাউনহিল স্কুলে ৪৫০ জন ছাত্রী রয়েছে৷ এর মধ্যে বাংলাদেশ, বিহার এবং নেপাল থেকে আসা ২০০ জন রয়েছে৷ এই প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্কুলটির বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠল স্কুলেই বই বিক্রি করার৷ অভিযোগ, ২০২৩ সালের সেশনের জন্য প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বই বিক্রি করা গতকাল থেকে শুরু করেছে ডাউনহিল স্কুল কর্তৃপক্ষ৷ এই বই বিক্রি আইন বিরুদ্ধে বলে দাবি করে কার্শিয়াংয়ের SDO কে চিঠি লিখলেন বই বিক্রেতারা৷

Belur School : বেলুড়ের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ছাত্রীকে কটুক্তি, পড়ুয়াদের হাতাহাতিতে উত্তেজনা
ডাউনহিল স্কুলের জন্য বই বিক্রি করা দোকানের মালিক অশোক আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বই বিক্রি করছি এবং ডাউনহিল স্কুলেও করছি৷ কিন্তু তারা আমাদের অনুমতি না দিলে আমাদের কোনও সমস্যা নেই৷ কিন্তু এটাও ঠিক নয় যে, তারা স্কুলে বই বিক্রি করবে এবং এটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷ কেন স্কুল কর্তৃপক্ষ বই বিক্রি করবে? যে কোনও জায়গা থেকে বই কেনার অধিকার প্রত্যেক শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের থাকা উচিত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পরীক্ষার আগে বই বিক্রি শুরু করে দিয়েছে স্কুলটি৷ ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা হবে এবং তারপর রেজাল্ট বেরবে ডিসেম্বরের শেষের দিকে৷ ফলে কীভাবে আগাম বই বিক্রি করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ? এ ব্যাপারে কার্শিয়াংয়ের তিনজন বই বিক্রেতা মিলে SDO কে চিঠি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি৷

Madhyamik Exam : অকৃতকার্য পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবিতে বিক্ষোভ, উত্তেজনা শ্রীরামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে
এই প্রসঙ্গে SDO এজাজ আলি বলেন, ‘‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে বিক্রেতা এবং অভিভাকদের থেকে অভিযোগ পেয়েছি৷ এই সম্বন্ধে জানতে চেয়ে স্কুলে চিঠি পাঠিয়েছি৷ দ্রুত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷’’ এদিকে, বই বিক্রি নিয়ে উত্তেজনার জেরে সকালে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাগরিকা মণ্ডল কার্শিয়াং হাসপাতালে ভর্তি হন৷ প্রধান শিক্ষিকা বলেন, ‘‘চলতি বছর ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় SDO কার্শিয়াং বলেছিলেন যে, স্কুল বই বিক্রি করতে পারে, যদি তারা বিক্রেতার জন্য সমস্যার সম্মুখীন হয়। আর এখন SDO বলেছেন যে আমি স্কুলে বই বিক্রি করতে পারব না।’’
এমনকি বিক্রেতা (অশোক আগরওয়াল) সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘তিনি সময়মতো ছাত্রীকে বই সরবরাহ করেননি এবং অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন৷’’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *