আবাস যোজনায় (Pradhan Mantri Awas Yojana) বঞ্চনার অভিযোগে গত বুধবারও পুরুলিয়া (Purulia) জেলার কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিলারা বিক্ষোভ দেখান৷ এমনকি আশাকর্মীরা সঠিক কাজ করছেন না বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা৷ পুরুলিয়া এক ও দুই, জয়পুর, ঝালদা, পুঞ্চা সহ সব কটি ব্লকেই আবাস যোজনার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা৷
গত কয়েকদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) ঘর বন্টন প্রক্রিয়া নিয়ে জোড়া সংকটে পড়েছে রাজ্য সরকার। একদিকে, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সমীক্ষক কর্মীদের জেলায় জেলায় পড়তে হচ্ছে বাধার মুখে। অন্যদিকে, উপভোক্তাদের অভিযোগ জানানোর জন্য এসডিও (SDO) যে কন্ট্রোল রুম খোলার কথা বলা হয়েছিল, সেখান থেকেও আসছে গাফলতির অভিযোগ। সমীক্ষা করতে গিয়ে আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা কোনওভাবে আক্রান্ত হলে তার জন্য ইতিমধ্যে জেলা পুলিশ প্রশাসনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কড়া নির্দেশিকা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পাশাপাশি, উপভোক্তাদের অভিযোগ জানানোর কেন্দ্রগুলিও যাতে সঠিকভাবে কাজ করে তার জন্য জেলাশাসকের চিঠি দিয়ে সতর্ক করলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত সচিব।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় আবাস যোজনা প্রকল্পে (Pradhan Mantri Awas Yojana) ৮২০০ কোটি টাকা রাজ্যকে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রাপ্ত অর্থে প্রায় ১১ লাখ নতুন ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। আবাস যোজনার বকেয়া বরাদ্দ নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য দড়ি টানাটানি হয়েছে বিস্তর। সরকারি প্রকল্পগুলিতে যাতে কোনওভাবে কারচুপি না হয়, সে ব্যাপারে কিছু শর্ত বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি, ঘর বন্টনে ত্রুটিমুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ে পর্যবেক্ষক দল গঠন করেছে নবান্ন। আইএএস পদাধিকারী সহ একাধিক আমলাকে রাখা হয়েছে সেই টিমে।
