রেবার পরিবারের তরফে চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, আবাস যোজনার (Awas Yojana) ঘর সার্ভে করতে গিয়ে আশাকর্মী রেবার ওপর নানা ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছিল। স্থানীয় গ্রামবাসী ও রাজনৈতিক চাপ সামাল দিতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন তিনি, এমনটাই দাবি পরিবারের। বোন অঞ্জলি মণ্ডল ও দাদা গোপাল বিশ্বাসকে গোটা ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন রেবা।
মৃতার দাদা গোপাল বলেন, “আবাস যোজনার সার্ভে করতে গ্রামে গিয়ে যাদের পাকা বাড়ি, তারা কাঁচা বাড়ি লেখার জন্য চাপ দিচ্ছিল। BDO অফিসে গিয়ে গোটা ঘটনার কথা জানালেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে কাজ না করলে চাকরি থাকবে না। আমাকে কয়েকদিন ধরেই বলছিল, চাপ সামালতে পারছি না, আমি আত্মহত্যা করব। শেষমেশ সেটাই হল।”
শাঁড়াপুল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান অরুণ বিশ্বাস বলেন, “আমাকেও বেশ কয়েকদিন ধরে এই কথা জানিয়েছে রেবা। আমি গোটা বিষয়টা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা বলেছিলাম। চাপের জন্য কেন আত্মহত্যার পথ বেছে নিল, বুঝে উঠতে পারছি না। যারা এর সঙ্গে যুক্ত তাদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
আবাজ যোজনার সার্ভে নিয়ে আশাকর্মীদের একটা বড় অংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। রেবার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। BDO ও গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে।
