স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (Health Centre) বাইরে রাশি রাশি ইমারতি দ্রব্য স্তূপাকারে পড়ে রয়েছে। ধূলো আর দূষণের মধ্য দিয়েই চলছে হাসপাতাল। রোগী থেকে রোগীর আত্নীয়রা এই দূষণের মধ্য দিয়েই কাশতে কাশতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (Health Centre) চিকিৎসা করাতে আসছেন। এমনকি বহু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠছে। চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে আরামবাগ ব্লকের গৌরহাটি এক নম্বর অঞ্চলের ডিহিবাগনান প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (Dihibagnan Health Centre)। জানা গিয়েছে, কয়েক মাস ধরে এক শ্রেনির অসাধু ঠিকাদার রাস্তা তৈরির নাম করে হাসপাতাল চত্বরে স্তূপাকারে ইমারতি দ্রব্য ফেলে রেখেছে। অথচ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এইভাবে ইমারতি দ্রব্য ফেলে রাখলে রোগী থেকে রোগীর আত্মীয় ও চিকিৎসকেরা আরও বেশি করে রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
গোটা ঘটনায় খেয়াল নেই স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের (Health Centre)। কীভাবে হাসপাতাল চত্বরে ইমারতি দ্রব্য রাখা হচ্ছে ? প্রশ্নের উত্তর নেই কারো কাছে। চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি দূর অস্ত, সেখানে প্রত্যন্ত গ্রামের স্বাস্থ্য কেন্দ্র ইমারতি দ্রব্য দিয়ে ঘেরা। বালি, স্টোনচিপ, মোরাম সহ বিভিন্ন ইমারতি দ্রব্য পড়ে রয়েছে। এই বিষয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ আনতে আসা একজন রোগী সেখ রাজা আহমেদ বলেন, “হাসপাতাল চত্বর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার। বালি, পাথরে ধূলো থেকে দূষণ হচ্ছে। আর এই দূষণের থেকেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে রোগীদের।”
হাসপাতালের একজন ফার্মাসিস্ট বলেন, “ব্যাপক ধূলো ওড়ে প্রতিদিন। সমস্যা হচ্ছে অনেক। অ্যাজমা রোগীদের সমস্যা বেশি। অথচ চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক থাকায় রোগীর চাপ আছে। কিন্তু ধূলো বালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে এলাকার মানুষ। বিষয়টি নিয়ে গৌরহাটি এক নম্বর অঞ্চলের প্রধান চন্দনা ঘোষ বলেন, “রাস্তার কাজের জন্য কিছু মাল পড়ে রয়েছে। তবে আরও যে সব মাল রয়েছে তা কোন ঠিকাদার রেখেছেন, তা খোঁজ নিয়ে সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।” এখন দেখার সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় কিনা।
