Dakshin 24 Pargana : হস্টেলে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিখোঁজ মহিলা, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ পরিবার – namkhana woman mysteriously missing while meeting her daughter in hostel


West Bengal News : হস্টেলে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে এক মহিলা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ। এখনও কোন খোঁজ নেই বলেই জানা গিয়েছে। মহিলার দাদা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার নাম আনসারুন বিবি৷ তিনি নামখানার (Namkhana) শিবনগর আবাদের বাসিন্দা৷ উস্তি ও নামখানা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছে পরিবার৷ যদিও নামখানা থানার (Namkhana Police Station) পুলিশের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা৷

Jalapaiguri News : জলপাইগুড়িতে নাবালিকা অপহরণের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে পুলিশ
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ তারিখ সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানার (Usti Police Station) মড়াপাই লরেন্স গার্লস হাইস্কুলের (Marapai Lawrence Girls High School) হস্টেলে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান নামখানার শিবনগর আবাদের বাসিন্দা আনসারুন বিবি। মেয়ের সঙ্গে দেখা করে যথাসময়ে তিনি বেরিয়ে আসেন বলেই দাবি পরিবারের৷ তবে তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি৷ ১৪ বছর আগে আনাসারুনের স্বামী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তারপর থেকে দুই সন্তানকে শিবনগর আবাদ এলাকায় বাস করছেন আনসারুন। তাঁর মেয়ে জয়নগর মিশনে থাকে৷ তিনজনই নাবালক৷

Dakshin 24 Pargana : চোর সন্দেহে যুবককে গাছে বেঁধে চলল গণপিটুনি, চাঞ্চল্য নামখানায়
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা৷ আনসারুন বিবির আত্মীয় জসমোন বিবি বলেন, “রবিবার ও যখন মেয়ের কাছে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরচ্ছিল, তখন আমার সঙ্গে দেখা হয়৷ এরপর থেকে ও নিখোঁজ৷ ছ’বছর হল ওর স্বামী মারা গিয়েছে৷ ওকে কখনও কোনও খারাপ কাজ করতে দেখিনি৷ এলাকার কারও সঙ্গে ঝগড়াঝাটিও হতে দেখিনি কখনও৷” এরপরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হন তিনি৷ বলেন, “পুলিশ বারবার আসবে বলেও আসছে না৷ নামখানা থানার পুলিশ একেবারে কোনও কাজ করে না৷ এক সিভিক ভলেন্টিয়ার আবার বলছে, এখন সন্তান রেখেই মায়েরা পালিয়ে যাচ্ছে৷ কত খুঁজব! দু’মাস বাদে ঠিক বাড়ি চলে আসবে৷” পাচারের জন্য কেউ অপহরণ করেছে বলেই অনুমান পরিবারের৷

Dakshin 24 Pargana : বাস ধরতে এসে বিপত্তি, মাদক মিশ্রিত চা খাইয়ে সর্বস্ব লুঠ যুবকের
একই কথা শোনা গেল প্রতিবেশী আবদুল সাত্তার মোল্লাক কাছেও৷ তিনি বলেন, “গত রবিবার সকাল ৮.১২ টার ট্রেনে করে তিনি জয়নগর মিশনের হস্টেলে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যায়৷ প্রতি সপ্তাহেই তিনি সেখানে যায়৷ আবার চারটে নাগাদ চলে আসে৷ কিন্তু এবার আর ফেরেনি৷ মিশনে খোঁজ করে জানা যায়, প্রতিবারের মতো এবারও দুপুরের খাওয়া সেরে ও বেরিয়ে গিয়েছে৷ আমরা উস্তি এবং নামখানা থানায় অভিযোগ করেছি৷” তাঁর অনুমান, পাচারের উদ্দেশ্যে কেউ হয়তো অপহরণ করেছে৷

আত্মীয় শেখ নুর ইসলাম বলেন, “গত রবিবার মেয়ের সঙ্গে হস্টেলে দেখা করতে গিয়ে আর ফেরেনি৷ তিনটে সন্তানই আপাতত মাকে হারিয়ে অথৈ জলে পড়েছে৷”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *