খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কোচবিহার কোতোয়ালি থানার (Kotwali Police Station) বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ গুলি চালানোর ঘটনা ঘটার দু’ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্ত সহ আরও দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ ধৃতদের আজ কোচবিহার জেলা আদালতে (Cooch Behar District Court) পেশ করা হবে৷
পুলিশও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সম্রাট আচার্জি ওরফে বান্টি নামে এক যুবক এসে বাবুরহাট বাজারে হঠাৎই এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। সেই এলোপাথারি গুলিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী মনতোষ শীল ও কমল কর্মকার নামে দুই ব্যক্তি আহত হন। আহতদের পায়ে গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়রা তাঁদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এখন তাঁরা কোচবিহার মহারাজা জিতেন্দ্র নারায়ণ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন৷ এই ঘটনার পর সম্রাট আচার্জি নামে ওই যুবক সেখান থেকে পালিয়ে যায়৷ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ এবং অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে বলে খবর৷
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতেই কোতোয়ালি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘটনার দু’ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত সম্রাট আচার্জি ওরফে বান্টি সহ আরও দু’ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে দু’টি বন্দুক ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। মূল অভিযুক্ত সম্রাট আচার্জির কাছ থেকে যে বন্দুক উদ্ধার হয়েছে, তা কোথা থেকে এল, সেটা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ৷
সম্রাট আচার্জি ওরফে বান্টিকে এলাকার লোকজন সমাজবিরোধী বলেই চেনে৷ এই যুবক নানা ধরনের আসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের৷ যদিও কী কারণে সে এদিন গুলি চালাল, সে বিষয়টি এখনও জানা যায়নি। তবে এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যই সে গুলি চালিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান স্থানীয় বাসিন্দাদের৷ এই ঘটনার পরই এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে এনিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
