West Bengal Latest News : ছেলেকে প্রাণ বাঁচাতে ২৯ দিনের মধ্যে ২২ লাখ প্রয়োজন, মমতার দ্বারস্থ অধিকারী পরিবার – basirhat adhikari family ask mamata banerjee help for their son treatment


ছেলের লিভার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ২২ লাখ। এদিকে হকারি করে কোনওমতে সংসার চালান বসিরহাটের (Basirhat News) রাকেশ অধিকারী। ছেলের চিকিৎসার খরচ শুনে রীতিমতো আকাশ থেকে পড়েছেন তিনি। এত টাকা কোথা থেকে জোগাড় করবেন? তা নিয়ে এই পরিবার কার্যত দিশেহারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের বাংলানী গ্রাম পঞ্চায়েতের মালঙ্গ পাড়ার বাসিন্দা রাকেশ অধিকারী। ট্রেনে হকারি করে সংসার চালান তিনি। অভাব থাকলেও জীবনে অশান্তি ছিল না বিশেষ। কিন্তু, গত এক বছর ধরে নিত্য লড়াই চালাচ্ছে এই পরিবার। অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁদের একমাত্র সন্তান ঋক অধিকারী। তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়ায় পরিবার। প্রথমে কলকাতা একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা হয়। এরপর তাকে ভেলোরে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। এরপরেই চিকিৎসকরা জানান, লিভারের সমস্যায় ভুগছে এই শিশু। এই অঙ্গ প্রতিস্থাপন করতে হবে। শিশুটির ২৯ দিনের মধ্যে অপারেশন না করা হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না, জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে শিশুর চিকিৎসায় শেষ হয়ে গিয়েছে সমস্ত সঞ্চিত অর্থ। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

Picnic Spots Near Kolkata : কলকাতার আশেপাশে অল্প খরচে পিকনিক স্পট কোথায়? রইল ঠিকানা
ঋকের মা পিয়ালী অধিকারী বলেন, ” এক বছর ধরে ছেলের শরীর খারাপ। কলকাতায় ওকে নিয়ে গিয়েছিলাম। তারপর ভেলোরে। পাঁচ ছয় লাখ টাকা ইতিমধ্যেই খরচ হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন ওর লিভার খারাপ হয়ে গিয়েছে। তা প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন। প্রায় ২২ লাখ টাকা আমাদের দরকার। কোথা থেকে পাব এত টাকা! আমরা গরীব মানুষ। টাকার জন্য বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে ওরা। কিন্তু, আমাদের কাছে তো এত টাকা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ যদি তিনি সাহায্য করেন সেক্ষেত্রে আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারি।”

Sankar Fish : গঙ্গাসাগরে মৎস্যজীবীদের জালে ৩৪০ কেজির শংকর মাছ, বিক্রি হল চড়া দামে
একই কথা শোনা গেল ঋকের বাবা রাকেশ অধিকারীর কণ্ঠে। তিনি কান্না জড়ানো গলায় বলেন, “আমার সব সঞ্চয় শেষ। চোখের সামনে ছেলেটাকে রোজ কষ্ট পেতে দেখছি। কিন্তু, আমি নিরুপায়। এত টাকা দেওয়ার মতো ক্ষমতা আমার নেই। কোথা থেকে টাকা আসবে, তা ঠাহর করতে পারছি না। আমার করজোড়ে অনুরোধ যদি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন সেক্ষেত্রে আমার ছেলেটা প্রাণে বেঁচে যায়।”

পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *