জিতেন্দ্র অধিকারীর অভিযোগ, ”পুলিশ হেনস্থা করেছে আমার স্ত্রীকে। এটা পুলিশ করেছে তৃণমুল কংগ্রেসকে খুশি করতে। আজ কিছু তৃণমুল কংগ্রেসের নেতা দুটো রুটি বেশি করে খাবেন। তার দাবি, হাইকোর্ট একমাত্র এই মামলার তদন্তকারী অফিসার বা আইওকে জেরা করার কথা বলেছিল। কিন্তু এদিন সাতজন অফিসার আমার ঘরে চৈতালিকে জেরা করেছে। যা হওয়া উচিত ছিল না। হাইকোর্ট ২ ঘণ্টা জেরা করার কথা বলেছিল। তা বলে ২ ঘণ্টা জেরা করতেই হবে? কম সময় একটু করা যেত না? একজন মহিলাকে এইভাবে জেরা করা যায়? চৈতালি তিওয়ারি তো ক্রিমিনাল নয়?” জিতেন্দ্র তিওয়ারি আরও বলেন, ”ওই জেরা করার পরে চৈতালি তেওয়ারি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জানি না, আর পুলিশ জেরা করতে আসবে কিনা। তবে হাইকোর্টের নির্দেশ মতো সোমবার ২ ঘণ্টা পুলিশ জেরা করতে আসতে পারে। ”
এদিন বারোটা সময় জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে বেরোনোর সময় মামলার তদন্তকারী অফিসার বা অন্য অফিসাররা কোন মন্তব্য করতে চাননি। চৈতালি তিওয়ারিকে জিজ্ঞাসাবাদের করার সময় ঘনশ্যাম অ্যাপার্টমেন্টকে কার্যত দূর্গের মতো করে পুলিশ ঘিরে রাখে। লোহার ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। চৈতালি তিওয়ারি যে আবাসনে থাকেন সেখানে সাংবাদিকদের জেরা করার সময় ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
