প্রধান টার্গেট অধিকারী পরিবার
আবাস নিয়েই অভিষেকের নিশানায় সেই টার্গেট অধিকারী পরিবার। তাঁর কথায়, তালিকা হয়েছিল ২০১৮ সালে। সব থেকে বেশি অভিযোগ আসছে পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) জেলা থেকে। অভিষেক বলেন, “ওই জেলায় দায়িত্বে কে ছিল, তার নাম আমি বললাম না। এটা ২০২১ এর তালিকা নয়, ২০১৮ তালিকা। এটা ২০১৭, ২০১৯ এর তালিকা। সবথেকে বেশি যে জেলা থেকে নাম বাতিল করতে হয়েছে, তার শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur)। এটা সংবাদ মাধ্যমেও বেরিয়েছে। দায়িত্বে কে ছিল, কোন পরিবার ছিল ?” তবে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) দল এই ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়েছে বলে মত তাঁর। অভিষেক বলেন, “নিশ্চিত ভাবে আমাদের দলের তরফে একজনকে বিশ্বাস করছিলাম। ভুল হয়েছে। তার কারণে কাঁথির জনসভা থেকে মানুষের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছি।”
রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন
পাশাপাশি, বিগত এক মাসের মধ্যে অর্থাৎ ডেডলাইন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য সরকার (West Bengal Government) আবাস যোজনা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ, সমীক্ষা, নতুন তালিকা নির্মাণের কাজ দ্রুততার সঙ্গে করায় রেকর্ড করেছে বলে মত তাঁর। অভিষেক বলেন, “আবাস যোজনা (Awas Yojana) নিয়ে আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই রাজ্য সরকারকে। সরকার এই একমাস ধরে প্রচণ্ড কর্মব্যস্ততা দেখিয়েছে। আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে বাড়ি, বাড়ি সমীক্ষা করা, সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এটার জন্য যত প্রশংসা রাজ্য সরকারের জন্য করা যায়, সেটা কম হবে।”
দুর্নীতি নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’
দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড এদিন স্পষ্ট করে দেন, দীর্ঘদিন বাদে এই প্রকল্পে অর্থ প্রদান করা হলেও এই এক মাস সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে খুবই কম সময় ছিল। তারপরেও মুখ্যমন্ত্রী কোনওরকম ত্রুটি বা অনিয়ম যাতে এই একমাস না হয়, সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। অভিষেক বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন, রাজ্যের প্রত্যেকে স্তরের আধিকারিকদের কঠোরভাবে, যাঁরা প্রকৃত দাবিদার, তাঁরাই যেন বাড়ি পায়। তালিকা যাচাই করার জন্য ছয়মাস সময় লাগে। রাজ্য সরকার সেটা এক মাসে করে দেখিয়েছে। আমাদের জিরো টলারেন্স অ্যাপ্রোচ দুর্নীতির প্রতি। বাস্তবে করে দেখিয়েছি।” নিজেদের দলের যাঁরা দুর্নীতিতে জড়িয়ে তাঁদের প্রতি অভিষেকের বার্তা, “ইতিমধ্যেই একাধিক প্রধানকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
