দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে নতুন তৃণমূল ভবনের ভূমি পূজায় গিয়ে একাধিক প্রশ্নের অকপটে জবাব দেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। নতুন তৃণমূল কী, এদিন তাও স্পষ্ট করে দেন তিনি। এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ির একটি জনসভায় নিজেরই দেওয়া ভাষণের প্রসঙ্গ তোলেন অভিষেক। তাঁর কথায়, “গত জুনে জলপাইগুড়ির সভায় বলেছিলাম নতুন তৃণমূল। তখন সবাই জানতে চেয়েছিলেন নতুন তৃণমূল কী? দুর্নীতি প্রমাণ হলে তৃণমূল তা বরদাস্ত করবে না। ঘাড় ধাক্কা দিয়ে দল থেকে তাড়িয়ে দেবে। এটাই নতুন তৃণমূল।”
এর পাশাপাশি, আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’ ইস্যুতে ফের একবার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের BJP বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন অভিষেক বলেন, “দুর্নীতির ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। ২০১৮-য় যখন সমীক্ষা হয়েছিল, তখন দায়িত্বে কে ছিলেন? সব থেকে বেশি যে জেলা থেকে নাম বাতিল করতে হয়েছে, তা হল পূর্ব মেদিনীপুর।” ওই সময় কোন পরিবার দায়িত্বে ছিলেন? প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তবে দুর্নীতি প্রশ্ন দল যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে, এদিন তাও স্পষ্ট করে দেন তিনি। “আবাস যোজনায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় একাধিক পঞ্চায়েত প্রধান, উপ প্রধানকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।” এই নিয়ে যুক্তি দেন অভিষেক।
এর পাশাপাশি, এদিন SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিচার ব্যবস্থার মধ্যে কেউ রয়েছেন, যাঁরা মিডিয়ার আলোয় আলোকিত হয়ে চাকরিপ্রার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। লার্জার দ্যান লাইভ ইমেজ তৈরির চেষ্টা করছেন। এমনটা হলে কোনওদিন সুবিচার মিলবে না।”
