Malda News : ফড়েদের দাপটে বঞ্চিত কৃষকরা, বিক্রি হচ্ছে না ধান! বিক্ষোভ চাঁচলে – malda farmers protested because of middlemen


ফোঁড়েদের দাপটে অবিক্রিত ধান। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন কৃষকদের।

 

Malda News
বিক্ষোভ প্রদর্শন বঞ্চিত কৃষকদের

হাইলাইটস

  • ফড়েদের দাপটে ধান বিক্রি করতে পারছে না প্রকৃত কৃষকরা।
  • আবেদন অনুসারে সঠিক পরিমাণ সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা।
  • বিক্ষোভ প্রদর্শন বঞ্চিত কৃষকদের।
Malda : ফড়েদের দাপটে ধান বিক্রি করতে পারছে না প্রকৃত কৃষকরা। এমনকি সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রতি কুইন্টাল ৭ কেজি ধানের বীজ নেওয়ার অভিযোগ। শুধু তাই নয়, আবেদন অনুসারে সঠিক পরিমাণ সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। বিক্ষোভ প্রদর্শন বঞ্চিত কৃষকদের। সোমবার দুপুরের ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) চাঁচল-১ নং (Chanchal Block) ব্লকের খরবা এলাকায়। অনেকেই বাধ্য হয়ে ধান বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সরকারি নয়, খোলা বাজারে ধান বিক্রি করলে লাভবান হওয়া যেত বলে দাবি কৃষকদের। প্রসঙ্গত, প্রান্তিক কৃষকদের কথা মাথায় রেখে ও ধানচাষে উৎসাহ জোগাতে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করছে রাজ্য সরকার। নূন্যতম প্রতি কুইন্টাল ধানে ২০৪০ টাকা দিচ্ছে সরকার। এছাড়াও কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০ টাকা উৎসাহ মূল্যও দেওয়া হচ্ছে।

Malda News : ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের কোনও সাহায্য করেনি সরকার, মালদায় পঞ্চায়েত ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত ৩০০ পরিবারের
কিন্তু সেই সমস্ত সুবিধার নাগাল পাচ্ছে না মালদার চাঁচল-১ নং ব্লকের কৃষকরা। অভিযোগ, ২০ কিমি পথ অতিক্রম করে বিপুল অর্থ দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে ক্রয় কেন্দ্রে এসে বিপাকে পড়ছেন তাঁরা। অনেকে ধান বিক্রি করতে না পেরে বাড়িমুখী হচ্ছেন। এদিকে অনলাইনে ১৫ কুইন্টাল ধান বিক্রির আবেদন করলেও সেই পরিমাণ ধান নিচ্ছে না সমবায় সমিতি। তারা মাথা পিছু ৭ কুইন্টাল ধান ক্রয় করবে বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন। সঠিক পরিমাণে ধান বিক্রির দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন বঞ্চিত কৃষকরা। কাতলামারির এক কৃষক আফজল হোসেনের অভিযোগ, “আমাদের ধান নিতে ইচ্ছুক নয়। মাত্র ৭ কুইন্টাল ধান নেবে বলা হচ্ছে। এদিকে চুপচাপ ফড়েদের থেকে অত্যধিক পরিমাণ ধান ক্রয় করছে। মরছি আমরা।”

Malda News : পাচার হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নথি? পঞ্চায়েতের ভ্যান আটকে বিক্ষোভ চাঁচলে
বাঘাপাড়ার কৃষক সাহিদ হোসেন জানান, “চড়া ভাড়ায় ধান নিয়ে এসছি ১৫ কুইন্টাল। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে ৭ কুইন্টাল নেওয়া হবে। বাকি ধানগুলো আবার ভাড়া করে বাড়িতে নিয়ে যেতে হবে। সরকারি খাতে ধান বিক্রি করলে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে। খোলা বাজারে ধান বিক্রি করলে ভালো হত।” মূলাইবাড়ীর কৃষক আব্দুল রহিমে মুখে শোনা গেল, প্রতি কুইন্টালে ৭ কেজি ধলতা নেওয়া হচ্ছে। যা সরকারি নিয়মের বাইরে। কৃষকদের মেরে মুনাফা লুটছে। যদিও শ্রীপতিপুর সমবায় সমিতির ম্যানেজার রেজাউল ইসলাম জানিয়েছেন, উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ যে পরিমাণে ধান নেওয়া কথা বলেছে। সেই পরিমাণ কেনা হচ্ছে। ধলতা নেওয়ার বিষয়ে মিল মালিক জানে। যদিও কৃষকদের সমস্যার সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

আশপাশের শহরের খবর

Eisamay News App: আশপাশের তাজা ও গুরুত্বপূর্ণ খবর বাংলায় পড়তে ডাউনলোড করুন এই সময় অ্যাপ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *