স্থানীয়দের দাবি, সাঁকোর গার্ড ওয়াল ভেঙে বাসটি যদি পার্শ্ববর্তী নয়ানজুলির জলে পড়ত, তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। বাসের সামনের অংশ দুর্ঘটনায় দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সহযোগিতায় যাত্রীদের বাস থেকে বের করে আনা হয়। প্রথম তাদেক স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা চলে। যাদের আঘাত গুরুতর, তাদের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খাদ থেকে পড়ে যাওয়া বাসটিকে তুলতে পুলিশের তরফে ক্রেন নিয়ে আসা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বাসে থাকা যাত্রীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসের চাকা ফেটেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বাসের চালকের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, দুর্ঘটনা আহত ১২ জনের মধ্যে সাতজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর গ্রামীন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ২ জনের আঘাত গুরুতর। তাদের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে,বাসের অধিকাংশ যাত্রীরাই সুরক্ষিত রয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
বাস দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা বংশীবদন দাস বলেন, ‘রাস্তার ধারে দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে বোমা ফাটার মতো আওয়াজ পাই। দেখে একটি যাত্রীবাহী বাস খালে পড়ে গিয়েছে। বাসে থাকা যাত্রীরা চিৎকার চেঁচামিচি করছেন। আমরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে গিয়ে তাদের বাস থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছি। আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। যাত্রীদের অধিকাংশই সুরক্ষিত ছিলেন।”
