Cattle Smuggling Case: ঠিকানা থেকে নম্বর, সবই ভুয়ো! সিউড়ির বেনামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে – cbi raid at suri co operative bank numbers of facts reveal about fake accounts


West Bengal Local News: আবারও CBI নজরে বীরভূম। গোরু পাচার মামলার তদন্তে বীরভূমে নজর সিবিইয়ের। এদিন সিউড়ির ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে (Suri Central Co Operative Bank) অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী। সামনে এসেছে বড় কেলেঙ্কারি। সমবায় ব্যাঙ্কে ১৫০-এর বেশি বেনামি অ্যাকাউন্ট।

জানা গিয়েছে, এই ব্যাঙ্কের বহু বেনামি অ্যাকাউন্ট মারফত গরু পাচারের কালো টাকা কে সাদা করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের । ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি বিভিন্ন চাষির নামে থাকলেও অ্যাকাউন্টগুলি থেকে লেনদেন করতেন একজনই । আর এই জন্যই প্রায় ১৭৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সিজ করেছে সিবিআই । ১৭৭ টি ব্যাঙ্ক একাউন্টের প্রত্যেকটিতে উপভোক্তার স্বাক্ষরে হাতের লেখা একই রকম ছিল আর এই সূত্র ধরেই এই ১৭৭ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার হদিস পাওয়া যাবে বলে মনে করছে সিবিআই আধিকারিকরা ।

বেনামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা মোবাইল নাম্বারগুলিও জাল ?

উপভোক্তাদের ফর্মে থাকা নাম্বারে ফোন করে দেখা গেল এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তাদের কোনো যোগই নেই । এমনকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার নামও মিলছে না নম্বর ব্যবহারকারীর সঙ্গে।

অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের পরিচয়-

১৭৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ফর্ম আসে এই সময় ডিজিটালের হাতে । যেখানে দেখা যাচ্ছে ব্যাঙ্কে দেওয়া ফোন নাম্বারও জাল। কারণ মোবাইল নাম্বার ব্যবহারকারীটা বলছেন তারা এই অ্যাকাউন্ট সম্বন্ধে জানেনই না।, এমনকি এই অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা নাম সম্বন্ধেও তারা অবগত নন । অ্যাকাউন্ট হোল্ডার সুন্দরী বাসকির ফর্মে থাকা নাম্বারে ফোন করলে জানা গেল এই নাম্বারটি ব্যবহার করেন তৃষা পাত্র । যিনি ধনেখালির বাসিন্দা । কিন্তু অ্যাকাউন্টে ঠিকানা দেওয়া হয়েছে বীরভূমের পুরন্দরপুরের ।

অন্যদিকে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মমতা মির্ধার অ্যাকাউন্টে দেওয়া ফোন নাম্বারে ফোন করলে জানা যায় এই নাম্বারটি আলিপুরদুয়ারের এক ভদ্রমহিলার । তবে তিনি তার নাম জানাননি । আরেকটি অ্যাকাউন্ট থেকে গৃহীত নাম্বারে ফোন করা হলে সেটি সুইচড অফ আসে।

স্বাভাবিকভাবেই বেনামি অ্যাকাউন্ট ও বিপুল জালিয়াতির তথ্য সামনে আসায় ফের রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। এখন প্রশ্ন এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে কে বা কারা কালো টাকা সাদা করত। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা।

পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *