অজিত এবং রবিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক তথ্য উঠে আসে। জেরায় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে জামুরিয়া থানার পুলিশ মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টিকিট উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, তারা শুধু জামুরিয়াতেই নয়, রানিগঞ্জ, পাণ্ডবেশ্বর, অন্ডাল সহ বেশ কয়েকটি এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই জাল টিকিটের চক্র ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিক সন্দেহ পুলিশের। গত বৃহস্পতিবার পুলিশি অভিযানে বড় সাফল্য মেলে।
প্রসঙ্গত, এর আগে কুলটি এলাকায় এই ধরনের জাল টিকিটের হদিশ পেয়েছিল পুলিশ। এবার নতুন করে জামুরিয়া এলাকায় ফের জাল লটারির টিকিটের রমরমা চিন্তায় ফেলছে তদন্তকারীদের। এই চক্রের জাল শুধুমাত্র এই রাজ্য নয়, ভিন রাজ্যেও বিস্তৃত বলে মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই জাল লটারি চক্রের হোতার হদিশ পাওয়া সম্ভব বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, সম্প্রতি লটারির টিকিট নিয়ে একাধিক সমালোচনার বিষয় সামনে এসেছিল। রাজ্যে লটারি বিক্রি নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তাঁর যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন। প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন এই সময় ডিজিটালে।
