এদিন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে শান্তনু ঠাকুর বলেন, “হলদিয়া বন্দর (Haldia Port) স্বাধীনতা সংগ্রামী সতীশ চন্দ্র সামন্তের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছিল এবং আজ এক ঐতিহাসিক দিন। হলদিয়া বন্দর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশ, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, চীন এই সমস্ত দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে এবং অত্যন্ত ভালো কাজ করেছে।” এই জন্য তিনি আজকের মঞ্চ থেকে হলদিয়া বন্দরকে উন্নতির চরম সীমায় নিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হয়েছেন। কারণ উত্তর-পূর্ব ভারত আগে পিছিয়ে ছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তির মাধ্যমে দেশের সার্বিক বিকাশের ঘটিয়ে বিশ্বের মধ্যে প্রথম সারিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।”
এখানেই না থেমে শান্তনু আরও বলেন, “ভারতবর্ষে বিভিন্ন নদনদী রয়েছে, সেই জলপথকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় সেই ভাবনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) করে দেখিয়েছেন। আজ তিনি বারাণসী থেকে আসাম পর্যন্ত দীর্ঘ জলপথ পর্যটন যাত্রার উদ্বোধন করেন।” ইনল্যান্ড ওয়াটার প্রোটোকল অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গেও ব্যবসার ক্ষেত্রে এই মাল্টি মোডাল টার্মিনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বন্দরের নাম পরিবর্তন নিয়ে তাঁর ব্যাখ্যা, “কলকাতা বন্দরের নাম যেমন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে করা হয়েছে, ঠিক তেমনি হলদিয়া বন্দরের নামও সতীশচন্দ্র সামন্তের নামে হওয়া উচিত।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে হলদিয়ার পাতিখালীতে ৬০৭ কোটি টাকায় নির্মিত ইনল্যান্ড ওয়াটার ওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মাল্টি মোডাল টার্মিনাল উদ্বোধন করার পাশাপাশি বারাণসী থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রমোদতরী এমভি গঙ্গা বিলাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
