বিজয় যে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন সেই বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, ১০ জানুয়ারি রাত্রিতে বিজয় সপরিবারে বাড়ি থেকে বের হয়। যাওয়ার সময় বলে আসানসোল স্টেশনে কোন এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাবে। কিন্তু, তার পর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি ওই চার জন। প্রায় পাঁচ দিন পর ওই ছাতাপাথর খাদানে চার জনের দেহ ভাসছে বলে খবর মেলে। পরে সারা রাতের চেষ্টার পর ওই পাথর খাদান থেকে ওই চার জনের দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতলে পাঠায় আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ। এলাকার লোকজন থেকে আত্মীয়ের দাবি কোনও অশান্তি ছিল না পরিবারে। শান্তিতে মিলে মিশে বসবাস করত তারা। কিন্তু তবে কী অভাবের কারণে এই পদক্ষেপ? না কি দুর্ঘটনা? না অন্য কিছু । সবই খতিয়ে দেখছে উত্তর থানার পুলিশ। যদিও এই ঘটনার ফলে এলাকায় শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
অনুমান, দুর্মূল্য বাজারে একজন অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করে সামাল দিতে পারছিলেন না বিজয়। আসানসোলে উত্তর থানার (Asansol North Police Station)ব্লু ফ্যাক্টরি রোডের চাষা পট্টি এলাকার বাসিন্দা বিজয় রাউত। তাই কি স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়েই পাথর খাদানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে বিজয়? উঠছে প্রশ্ন। রবিবার রাতে আসানসোলের কাল্লা এলাকায় একটি পাথর খাদান থেকে উদ্ধার হয় দুই শিশু সহ চারজনের দেহ।
