Bardhaman News: সেই ট্র্যাডিশান চলছেই! শিকার উৎসব বন্ধ করতে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে বন দফতরের কর্মীরা – forest department officers blocked by some villagers in bardhaman for stopping shikar utsav


Purba Bardhaman : শিকার রুখতে গিয়ে আদিবাসীদের হাতে আটক বনকর্মীরা। ঘটনা বর্ধমানের জোরবাঁধ এলাকায়। শিকার উৎসবের কারণে কয়েকজন আদিবাসী জঙ্গলে পশু-প্রাণী শিকারের আয়োজন করে। খবর পায় বন দফতরের আধিকারিকরা। তখনই গ্রামবাসীদের একাংশের সঙ্গে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। বন দফতরের আধিকারিকদের আটকে রেখে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে বর্ধমান থানার (Bardhaman Police Station) পুলিশ গিয়ে সরকারি আধিকারিকদের উদ্ধার করে আনে। স্থানীয় ও বন দফতর সূত্রে জানা যায়, আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিকার উৎসবের জন্য আজ সকাল বেলাতেই বর্ধমানের জোরবাঁধ এলাকায় শিকার করতে যায় আদিবাসীরা। প্রাণী শিকারের অভিযোগ পেয়ে বন দফতরের কর্মীরা শিকারে বাধা দিতে যায়। আদিবাসীদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি জন্তুও আটক করে বন দফতরের কর্মীরা। এরপরই আদিবাসীরা বন দফতরের কর্মীদের আটক করে জন্তুগুলোকে ফেরত দেওয়ার দাবিতে কয়েক ঘণ্টা আটক করে রাখে। পরে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে আটক হওয়া কর্মীদের উদ্ধার করে। জন্তুগুলিকে উদ্ধার করে বন দফতরে নিয়ে আসে।

Bardhaman News : তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর, চাঞ্চল্য বর্ধমানে
আদিবাসীদের অভিযোগ, শিকার উৎসবের বাধা দিতে শুরু করে বন দফতরের আধিকারিকরা এক বিক্ষোভকারী বলন, “আজকে আমাদের শিকার উৎসব। আমরা সকাল থেকেই শিকার করতে বেড়িয়েছি। বন দফতর এসে বলছে এসব করা যাবে না। আমাদের জানা ছিল না। আমাদের শিকারগুলো বন দফতরের লোকেরা নিয়ে তাদের গাড়িতে রেখেছে। তখন থেকেই সমস্যা চলছে।”অন্যদিকে, বর্ধমানের রেঞ্জ অফিসার কাজল বিশ্বাস জানিয়েছেন, শিকার ফেরত দিতে হবে এই দাবিতে কর্মীদের আটকে রাখে। আইন অনুযায়ী এটা করা যায় না। আমরা দুটো মৃত প্রাণী উদ্ধার করেছি।

Bharatiya Janata Party : সুকান্ত মজুমদারের গ্রেফতারির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ছবিতে আগুন ধরাল BJP কর্মীরা, ধুন্ধুমার জামুড়িয়া
পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গল মহলের এই শিকার উৎসব সারা দেশ জুড়েই বিখ্যাত। প্রতি বছর বহু শূকর, বনবেড়াল, বহু পাখি প্রাণ হারায় এই উৎসবে। ২০১৮ সালে ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলার জঙ্গল মহলে ঢুকে পড়েছিল একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। শিকারীদের অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছিল সেই প্রাণীটি। সেবারেও সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল শিকার উৎসবের কথা। সেই ঘটনার পর থেকেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। জঙ্গল মহলের একাধিক জায়গায় শিকার উৎসব করার জন্য আবেদন জানান হয় বন দফতরের তরফে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় এই নিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তবে শিকার উৎসবের নামে প্রাণী হত্যার ঘটনা যে একেবারে বন্ধ হয়নি তার প্রমাণ মিলল সোমবারের ঘটনায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *