এদিন তিনি বলেন, “এবারের গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar Mela 2023) যথেষ্ট সুষ্ঠুভাবে চলছে। স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন, এলাকার বিধায়ক, সাংসদরা যথেষ্ট সাহায্য করেছেন। এখনও পর্যন্ত ৬০ লাখ পুন্যার্থী গঙ্গাস্নান করেছেন। আজকেও ১০ থেকে ১৫ লাখ পুন্যার্থী স্নান করবেন। যতদূর জানি আজ বেলা ২টো পর্যন্ত স্নান চলবে।” সারা বছর প্রায় দেড় কোটি পুন্যার্থী এখানে আসেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তিনি আরও বলেন, “এবার বেশ কয়েকজন শংকরাচার্য ছাড়াও ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ পরিবারের অনেক সদস্যরা এখানে গঙ্গা স্নানে এসেছিলেন।” তিনি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
নিজের জেলা সফর নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আজকে আমি মুর্শিদাবাদ যাচ্ছি। কারণ ওখানে দুয়ারে সরকারের পঞ্চম ধাপ শুরু হবে। প্রচুর মানুষের কাজ ওখানে বাকি রয়েছে। আশা করছি আমি যাওয়ার পরে কাজগুলি সম্পন্ন হবে।” মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে (Sagardighi) একাধিক সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথাও জানান তিনি। আজ মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করেই মুখ্যমন্ত্রী পরেরদিন হাসিমারার (Hasimara) উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “এই মাসের ১৮ তারিখ আমার এবং অভিষেকের (Abhishek Banerjee) মেঘালয় (Meghalaya) যাওয়ার কথা আছে। আমরা হাসিমারা থেকে সেখানকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। ভেবে দেখলাম গুয়াহাটি থেকে যেতেও যেই সময় লাগবে, হাসিমারা থেকেও প্রায় একই সময় লাগবে। তাই যাত্রার জন্য আমি হাসিমারাকেই বেছে নিয়েছি।”
১৮ জানুয়ারি মেঘালয়ে (Meghalaya) দলীয় কর্মসূচি সেরে সেইদিনেই তাঁদের ফিরে আসার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরে এসে ১৯ জানুয়ারি কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির প্রশাসনিক কাজ দেখবেন বলেও জানান তিনি। এছাড়াও নেপালের পোখরায় হওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলা এবং ভারতবর্ষ থেকে প্রচুর পর্যটক নেপালে বেড়াতে বা অন্যান্য কাজে যান। শুনেছি বিমানটিতে কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। সরকারীভাবে দুর্ঘটনার পর এখনও তালিকা প্রকাশ হয়নি। তালিকা প্রকাশে এত দেরি হওয়া উচিত নয়।”
