Primary School : স্কুলে মদ্যপ শিক্ষক! অবিলম্বে বদলির দাবিতে সরব অভিভাবকরা – parents demanding immediate transfer of a drunk teacher from patharpratima primary school


West Bengal News : কিছুদিন আগেই হুগলি (Hooghly) জেলার আরামবাগের (Arambag) এক প্রাইমারি স্কুল (Primary School) উত্তাল হয়ে উঠেছিল স্কুলে প্রধান শিক্ষকের মদ্যপ অবস্থায় আসাকে ঘিরে। অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলে টানা দুদিন তালা ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। এবার একই মাসে ঠিক একইরকম আরও একটি ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্য। আর মাথা হেঁট হল গোটা শিক্ষক সমাজের। এবারের ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার পাথরপ্রতিমা (Patharpratima) ব্লকের উত্তর সুরেন্দ্রগঞ্জ অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (Primary School)। এই স্কুলেরই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় স্কুলে আসার অভিযোগ করেছে স্কুলের পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকরা।

Mid Day Meal : মালদায় মিড ডে মিলের চালে টিকটিকি, কড়া ‘শাস্তি’-র সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
অভিযোগ, ওই নেশাগ্রস্ত স্কুল শিক্ষক কখনও স্কুলের মধ্যে মদ্যপ অবস্থায় আসেন, আবার কখনও স্কুলের বাইরেও তাঁকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। আর মুখের ভাষা? যা মাঠের রাখালেরও মুখে আসে না।

Malda News : মিড ডে মিলের ‘মান’ ফেরাতে আসরে মন্ত্রী, চেখে দেখলেন পড়ুয়াদের খাবার
এছাড়াও, মদ্যপ ব্যবস্থায় ছেলেমেয়েদের লাগামছাড়া মারধরের অভিযোগও করেছেন অভিভাবকরা। ভয়ে স্কুল ছাড়ছে ছাত্রছাত্রীরা। এলাকার সম্মানের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে কোনও ভাবে অসম্মানিত করার সাহস পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ। তাই তাদের আবেদন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন অবিলম্বে অন্যত্র বদলি করে দেন ওই শিক্ষককে, অন্তত ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম অনুব্রত মিদ্দা। যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক অনুব্রত জানান, “আমি মদ খাই না, কিন্তু গুটকা খাই।” স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রবীর মোদক জানিয়েছেন, “ওই শিক্ষক মাঝে মধ্যেই মদ খেয়ে আসতেন। এখনও মদ খান কিনা জানা নেই।” তবে স্কুলের সম্মানের কথা ভেবে ওই শিক্ষকের যত দ্রুত সম্ভব অন্যত্র বদলির দাবিতে সরব রয়েছেন অভিভাবকরা।

Teacher Transfer Application: যে কোনও জায়গায় এবার শিক্ষক-বদলি, কড়া সিদ্ধান্ত হাইকোর্টের
এক অভিভাবক রেশমা বিবি জানান, “কখনও কখনও ছাত্রছাত্রীদের উনি এমনভাবে মারধর করেন, তাদের আঙুলের নখ পর্যন্ত ভেঙে গিয়েছে।” স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা ও তৃণমূল নেত্রী (TMC Leader) কাকলি সাঁতরা জানিয়েছেন, “এটা আমাদের লজ্জা, আর এটা আমাদের ব্যর্থতা। আমরা আবেদন করছি যাতে ওই শিক্ষককে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অন্যত্র বদলি করে দেয়া যায়।” যদিও অভিযুক্ত শিক্ষকের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ আনছেন অভিভাবকরা। তবে এই ঘটনা ঘিরে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে গোটা এলাকায়। ঘটনার জেরে পাথরপ্রতিমা (Patharpratima) সার্কেলের এসআইএস শুভদীপ পান জানান, “ওই স্কুল থেকে এইরকম একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির গভীরে গিয়ে তদন্ত করে দেখা হবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *