এদিন নাকচিরাচর এলাকায় গিয়ে সাধারণের সঙ্গে জনসংযোগ করেন কুণাল ঘোষ। গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা আসার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় বেশ কিছু অসুবিধা অনেক সময় থেকে যায়। এখনকার একটি মহল্লা বিদ্যুৎ বিহীন ছিল বলে এখনকার স্থানীয় নেতৃত্ব আমায় জানিয়েছিল। এর আগে হলদিয়ায় দুটি গ্রামে স্বাধীনতার পর থেকেই বিদ্যুৎ আসেনি বলে আমি খবর পাই। বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি হলদিয়ার সঙ্গে নন্দীগ্রামের এই এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়টি জানিয়েছিলাম।” বিদ্যুৎ সংযোগ আনার জন্য দফতরের আধিকারিক ও কর্মীদের তৎপরতার প্রশংসা করেন কুণাল। গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের খুবই ভালো লাগছে, গ্রামের একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ছিল না। বিদ্যুৎ আসায় আমরা খুশি।”
প্রসঙ্গত, বছরের শুরুতেই হলদিয়ায় দুটি গ্রাম বিষ্ণুরামচক এবং সৌতনচকে স্বাধীনতার পর থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকার অভিযোগ উঠে আসে খবরের শিরোনামে। জনসংযোগ করতে গিয়ে সে কথা জানতে পারেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এতদিন ধরে অন্যান্য পরিষেবা এলেও গ্রাম দুটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ আসেনি বলে অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নজরে পড়েনি, বা পড়লেও এড়িয়ে গিয়েছে প্রশাসন। আধুনিকতার শীর্ষে পৌঁছেও এত বছর বাদেও রাজ্যের দুই গ্রামে বিদ্যুৎ নেই, বিষয়টি লজ্জায় ফেলে দিয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকেও। নতুন বছরের প্রথম দিনে আলোকিত দুই গ্রাম। হাসি ফোটে গ্রামবাসীদের মুখে।
