এই বিষয়ে সরাইটিকর পঞ্চায়েতের সদস্য শেখ ফিরোজ দাবি জানিয়ে বলেন, “এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাকে মারধর করে। এলাকায় অশান্তি পাকানোর জন্য আমার উপর এই হামলা করা হয়েছে।“ অবশ্য স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইনসানের অভিযোগ, “ফিরোজ এলাকার কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেন না। এলাকায় আমি এবং আমার অনুগামীরাই উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে থাকি”। সেই ‘ঈর্ষা’য় এলাকার তৃণমূল কর্মী শেখ ইনসানকে ফিরোজের নেতৃত্বে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইনসানের পক্ষের দাবি, তারা এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করছেন, এটাই ফিরোজের পছন্দ হচ্ছে না। মানুষ তার কাছ থেকে সরে গিয়েছে। আগামী পঞ্চায়েতে ফিরোজ টিকিট পাবেন না বুঝে গিয়েছেন। সেই জন্য এলাকা নিজের হাতে রাখতেই আজ লাঠি,রড নিয়ে আক্রমণ করেছেন, বক্তব্য ইনসানের দলের।
যদিও পঞ্চায়েত সদস্য শেখ ফিরোজ এই দাবি নস্যাৎ করে বলেছেন, “ওরা দলের কেউ নয়। ওরা মাতাল, তোলাবাজদের নিয়ে চলে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার সময় ওরা আমার উপর লাঠি রড নিয়ে চড়াও হয়ে আমাকে ও আরও একজনকে মারধর করে”। সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কে কোন দল করে সেটা বিষয় নয়। কেউ এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করলে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে”। এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা BJP-র সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এটা নতুন নয়। তৃণমূলে টাকার ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে সমস্যা। এমন ঘটনার জেরে সাধারণ মানুষই সমস্যায় পড়ছেন”।
